Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘বাংলার বাড়ি’ নিয়ে এবার বহুমুখী প্রচার হুগলিতে, ৬ ফেব্রুয়ারি জেলায় কর্মসূচি

রাজ্য সরকারের ল্যান্ডমার্ক প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’ নিয়ে জেলাস্তরে প্রচারের কর্মসূচি নিল হুগলি জেলা পরিষদ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতা গড়তে এবং রাজ্যের নিজস্ব প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরতেই প্রচারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

‘বাংলার বাড়ি’ নিয়ে এবার বহুমুখী প্রচার হুগলিতে, ৬ ফেব্রুয়ারি জেলায় কর্মসূচি
  • ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: রাজ্য সরকারের ল্যান্ডমার্ক প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’ নিয়ে জেলাস্তরে প্রচারের কর্মসূচি নিল হুগলি জেলা পরিষদ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতা গড়তে এবং রাজ্যের নিজস্ব প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরতেই প্রচারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জেলার সর্বত্র এই কর্মসূচি পালন করা হবে। এনিয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্দেশিকা জারি করেছেন। কর্মাধ্যক্ষদের তত্ত্বাবধানে এই প্রচার চলবে। নানা ধরনের প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে নাগরিকদের একত্রিত করা হবে। আর থাকবেন ‘বাংলার বাড়ি’র উপভোক্তারা। তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরবেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ একটি পরিস্থিতির কারণে জেলাভিত্তিক এই প্রচার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা না দেওয়ার প্রতিবাদে রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। সম্প্রতি হুগলিতে এসে রাজ্যব্যাপী ওই প্রকল্পের দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু করে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ওই প্রকল্পকে ঘিরে ট্যাবলো, জনজাগরণ সহ বহুস্তরীয় প্রচারের নির্দেশ রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর দিয়েছিল। ছোটো ছোটো পকেটে এনিয়ে প্রচারের পরিকল্পনাও রাজ্য থেকে করা হয়েছিল। কিন্তু বাদ সেধেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, পরীক্ষা পর্বে মাইক প্রচার, ট্যাবলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। সেই কারণেই জেলা পরিষদ ছোটো স্তরে গ্রামীণ এলাকায় প্রচারের পরিকল্পনা নিয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র নেই, এমন জায়গা বাছাই করে জনজাগরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে যাতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়, সেই পরিকল্পনা থেকেই একইদিনে সমস্ত কর্মসূচি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

এনিয়ে হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, ‘বাংলার বাড়ি রাজ্য সরকারের একটি দৃষ্টান্তমূলক প্রতিবাদী প্রকল্প। গ্রামীণ মানুষের কাছে এই প্রকল্পের সাফল্য, উপভোক্তা সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য জনচেতনা তৈরি করা প্রয়োজন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই কর্মসূচি হবে। এই বিষয়ে সকলকে অবগত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, বরাবরই উন্নয়নকে সামনে রেখেই নির্বাচনের ময়দানে নেমেছে রাজ্যের শাসকদল। এবারে সেই উন্নয়নের কর্মসূচিতে জুড়ছে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিষয়টিও। রাজ্যে শাসকদলের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি। আবার বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতাসীন। ফলে উন্নয়ন ও বঞ্চনাকে একই সারিতে হাজির করার জন্য ‘বাংলার বাড়ি’ উপযুক্ত দাওয়াই। সেকারণেই এই প্রকল্প নিয়ে বহুস্তরীয় প্রচারের পথ ছাড়ছে না তৃণমূল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ