Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মাটির রাস্তা, জল-কাদায় দুর্বিষহ অবস্থা

আগে জোকা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কালুয়া গ্রাম ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের মধ্যে ছিল। যদিও এখন আর তা নেই। কারণ ওই এলাকা এখন কলকাতা পুরসভার ১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে নথিভুক্ত হয়েছে। যদিও এই অঞ্চলের আদি বাসিন্দারা এ নিয়ে রীতিমতো ধন্ধে।

মাটির রাস্তা, জল-কাদায় দুর্বিষহ অবস্থা
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বজবজ: আগে জোকা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কালুয়া গ্রাম ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের মধ্যে ছিল। যদিও এখন আর তা নেই। কারণ ওই এলাকা এখন কলকাতা পুরসভার ১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে নথিভুক্ত হয়েছে। যদিও এই অঞ্চলের আদি বাসিন্দারা এ নিয়ে রীতিমতো ধন্ধে। অনেকে তাই বাড়ির গায়ে ঠিকানার জায়গায় কালুয়া গ্রাম, পোস্ট অফিস জোকা লিখে রেখেছেন। অনেকের প্রশ্ন, সত্যি কি কালুয়া গ্রাম শহর কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে?
Advertisement
আসলে যখন এই অঞ্চল কলকাতা পুরসভার সঙ্গে যুক্ত হয়নি, তখন এখানে যেমন মাটির রাস্তা, বর্ষার সময় এক হাঁটু জল-কাদার দুর্বিষহ অবস্থা ছিল, সেই অবস্থাতেই ফিরে গিয়েছে ১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালুয়ার রাস্তা। ভুক্তভোগী প্রবীণ বাসিন্দা বিশু মণ্ডল, রতন পুরকায়স্থ, দিবাকর ঘোষদের কথায়, ৩ এ বাস স্ট্যান্ড থেকে মহাত্মা গান্ধী রোড হয়ে সেই কবরডাঙা পর্যন্ত বিশাল চওড়া রাস্তা হয়েছে। কিন্তু সেই রোডেরই খালপোল সংযোগ থেকে দক্ষিণ দিকে ভিতরে চড়িয়াল খালকে বা হাতে রেখে দু’ কিলোমিটার এলাকা হাঁটার অযোগ্য হয়ে রয়েছে। মাটি উঠে বড় বড় গর্ত হয়েছে। কোথাও কোথাও ভাঙা ইট মাথা বের করে আছে। তা এড়িয়ে যাতায়াত করতে কালঘাম ছুটে যায়। প্রবীণরা হাঁটতে বেরিয়ে হোঁচট খান। এই রাস্তার উপর একাধিক কারখানা ও পরপর বাড়ি হয়েছে। একটি বড় বেসরকারি হাসপাতালও আছে। রোজ সকালে ও বিকেলে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ডাক্তার দেখাতে আসেন অনেকে। তাদের দু’কিলোমিটার এই বেহাল রাস্তার জন্য অটো ভাড়া দিতে হয় হাজার টাকা। টোটো ভাড়া নিচেছ তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো। ওই হাসপাতালের প্রধান ডাঃ সত্যব্রত কর বলেন, এটা বাস্তব। অনেকদিন ধরে কাউন্সিলার থেকে মেয়র সব জায়গাতে চিঠি দিয়ে আসছি। রোগীদের যাতায়াতের জন্য রাস্তাটা সংস্কার হওয়া জরুরি।
১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ক্রিস্টিনা বিশ্বাসের স্বামী ববি বিশ্বাস এজন্য কেইআইআইপি-র ঘাড়ে দায় ঠেলে দিয়েছেন। ববিবাবু বলেন, ওই রাস্তার জন্য টাকা মঞ্জুর হয়ে আছে। কিন্তু কেইআইআইপি ভূগর্ভস্থ নিকাশি ও জলের পাইপ বসানোর পরেও এখনও রাস্তাটি হস্তান্তর করছে না। কেইআইআইপি এজন্য মেয়রের কাছে রোজ গালমন্দ খাচ্ছে। তবে সামনের দিকে পেট্রল পাম্প এর কাছে জলের পাইপ বসানো চলছে। আশা করছি বর্ষার আগেই রাস্তা সংস্কার হয়ে যাবে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ