নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার এই কাহিনি এবার সর্বভারতীয় স্পিকার কনফারেন্সে তুলে ধরলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্র-রাজ্যের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে দিয়ে সার্বিক উন্নয়ন প্রশস্ত হয়। কিন্তু বারবার দেখা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করে বাংলাকে দুর্বল করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে, যা কোনওভাবেই বাঞ্ছিত নয়।
Advertisement
লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার উপস্থিতিতে পাটনায় দু’দিন ব্যপী ‘অল ইন্ডিয়া স্পিকার কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেশের প্রায় সব রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার বা অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনে যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, উপাধ্যক্ষ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধান সচিব সুকুমার রায়। সংবিধানের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবিধানের মূল্যবোধ তুলে ধরার জন্য আলোচনা হয়েছে এই স্পিকার কনফারেন্সে। সংবিধানকে মর্যাদা দেওয়া, সংবিধানে কী উল্লেখিত রয়েছে তা বিশদে জানা সাংসদ-বিধায়কদের মতো জনপ্রতিনিধিদের অবশ্যকর্তব্য বলে মনে করেন বিমানবাবু।
আলোচনার সূত্র ধরে এই সম্মেলনে লোকসভার স্পিকারের সামনেই বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা সবিস্তারে তুলে ধরেন বিমানবাবু। তিনি বলেছেন, সংবিধান বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য জরুরি মাথার উপর ছাদ, সুস্বাস্থ্য প্রভৃতি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, আবাসের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। আয়ুষ্মান প্রকল্প নিয়ে একাধিক শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্র। এছাড়া আরও একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা না দিয়ে বাংলার সঙ্গে বঞ্চনা করে চলেছে। বিমানবাবুর সংযোজন, শরীরের একটা অঙ্গকে যদি দুর্বল করে দেওয়া হয়, তাহলে গোটা শরীরে দুর্বলতা এসে যায়। অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করে পশ্চিমবঙ্গের শারীরিক কাঠামোয় হাত-পা দুর্বল করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। এসব কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে বাংলা শক্তিশালী হতে পারবে না।
কেন্দ্রের এই বঞ্চনার বিষয়টি আসন্ন বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেও তুলে ধরে বিজেপিকে বিঁধতে চাইছেন রাজ্যের শাসক দলের বিধায়করা। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হবে ১ ফেব্রুয়ারি। সেখানে বাংলার জন্য কেন্দ্র কী বরাদ্দ করছে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের। এরপর, ফেব্রুয়ারিরই দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন বসবার কথা।
আলোচনার সূত্র ধরে এই সম্মেলনে লোকসভার স্পিকারের সামনেই বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা সবিস্তারে তুলে ধরেন বিমানবাবু। তিনি বলেছেন, সংবিধান বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য জরুরি মাথার উপর ছাদ, সুস্বাস্থ্য প্রভৃতি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, আবাসের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। আয়ুষ্মান প্রকল্প নিয়ে একাধিক শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্র। এছাড়া আরও একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা না দিয়ে বাংলার সঙ্গে বঞ্চনা করে চলেছে। বিমানবাবুর সংযোজন, শরীরের একটা অঙ্গকে যদি দুর্বল করে দেওয়া হয়, তাহলে গোটা শরীরে দুর্বলতা এসে যায়। অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করে পশ্চিমবঙ্গের শারীরিক কাঠামোয় হাত-পা দুর্বল করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। এসব কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে বাংলা শক্তিশালী হতে পারবে না।
কেন্দ্রের এই বঞ্চনার বিষয়টি আসন্ন বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেও তুলে ধরে বিজেপিকে বিঁধতে চাইছেন রাজ্যের শাসক দলের বিধায়করা। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হবে ১ ফেব্রুয়ারি। সেখানে বাংলার জন্য কেন্দ্র কী বরাদ্দ করছে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের। এরপর, ফেব্রুয়ারিরই দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন বসবার কথা।



