রাওয়ালপিন্ডি: দুই দলের কাছেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এখন অতীত। ফলে বৃহস্পতিবারের ম্যাচ স্রেফ নিয়মরক্ষার। তবুও সান্ত্বনা জয় পেতে মরিয়া পাকিস্তান ও বাংলাদেশ, যা তাদের সমর্থকদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ কমাতে পারে। ২৯ বছর পর পাকিস্তানে হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। স্বাভাবিকভাবেই বাবর, রিজওয়ানদের ঘিরে প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কিন্তু নিউজিল্যান্ড ও ভারতের কাছে হেরে তাঁদের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। যেটুকু আসা বেঁচেছিল সেটাই শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হারে। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের উপর ক্ষোভে ফুটছে দেশবাসী। সমালোচনায় জেরবার রিজওয়ানরা। বাংলাদেশ ম্যাচের পরেই পিসিবি বড় পদক্ষেপ নিতে পারে। চাকরি যেতে পারে কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের। ক্যাপ্টেনের গদিও টলমল। বাবরও সমালোচনায় বিদ্ধ। এই আবহে পাক ক্রিকেটাররা ভাবমূর্তি উদ্ধারে মরিয়া। তাঁরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচটাকে কাজে লাগাতে চাইছেন। কারণ, বড় ব্যবধানে জিততে পারলে ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।
Advertisement
এদিকে, বাংলাদেশেরও হারানোর কিছু নেই। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতো ক্রিকেট দলও ছন্নছাড়া। দেশে ফেরার বিমান ধরার আগে মুশফিকুর, নাজমুল হোসেন শান্তরা সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে চান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।
ম্যাচ শুরু দুপুর ২-৩০ মিনিটে। স্টার স্পোর্টসে সম্প্রচার।
ম্যাচ শুরু দুপুর ২-৩০ মিনিটে। স্টার স্পোর্টসে সম্প্রচার।



