সংবাদদাতা, কাটোয়া: নবাবি মুলুক মুর্শিদাবাদে মুঘল আমলের হারিয়ে যেতে বসা বালাপোশ শিল্পের হাত ধরেই কেতুগ্রামের গ্রামীণ মহিলাদের হাল ফিরেছে। বছরে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করছেন বাংলার মহিলারা। নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার খরচ জোগাচ্ছেন মহিলারাই। কেতুগ্রামের বালাপোশ গ্রাম হিসেবে পরিচিত শান্তিনগরের মহিলাদের হাতে তৈরি বালাপোশ পাড়ি দিচ্ছে পড়শি রাজ্যগুলিতেও। বিহার, ঝাড়খণ্ড, অসমের বাসিন্দারা শীতে লেপ, ব্লাঙ্কেটের বদলে বাংলার মহিলাদের হাতে তৈরি বালাপোশ গায়ে দিয়ে কনকনে ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচছেন। গ্রামের অর্থনীতিটাই বদলে গিয়েছে বালাপোশ শিল্পের হাত ধরে।
Advertisement
মুঘুল আমলে নবাবিমুলুক মুর্শিদাবাদে বালাপোশ তৈরির কাজ শুরু হয়। আর সেসব আতর মেশানো গন্ধমাখা বালাপোশ গায়ে দিতেন নবাবরা। তবে কালের নিয়মে বালাপোশ শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। হাল ফ্যাশানে ব্ল্যাঙ্কেট বাজার দখল করেছে। তবে হারিয়ে যেতে বসা বালাপোশ শিল্প এই গ্রামের মানুষের হাল ফিরিয়েছে। শীতের মরশুমজুড়ে কেতুগ্রাম-১ ব্লকের মোড়গ্রাম-গোপালপুর পঞ্চায়েতের বালাপোশের গ্রাম শান্তিনগরজুড়ে বালাপোশ তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে। কাটোয়া মহকুমাজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় বালাপোশ তৈরি হয়।
তবে কেতুগ্রামের শান্তিনগর গ্রামজুড়ে বালাপোশ তৈরি হয়। প্রায় ৭টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এই বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। প্রতি গোষ্ঠীতে প্রায় ১০ থেকে ১২জন করে মহিলারা রয়েছেন। গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বাড়ির মহিলারাই বালাপোশ তৈরিতে যুক্ত। আর পুরুষরা সেই বালাপোশ রাজ্যজুড়ে বিক্রি করেন। কেতুগ্রামের শান্তিনগর গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই ১৯৯২ সাল থেকে বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। গ্রামের প্রায় অধিকাংশ বাড়ির মহিলারা শীতকালের শুরুতেই বাড়ির উঠানে বালাপোশ তৈরি করতে ব্যস্ত থাকেন। নদীয়া জেলার নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগর যাওয়ার রাস্তায় ভালুকা থেকে বালাপোশের জন্য বিশেষ তুলো, কাপড় সংগ্রহ করে আনেন। তারপর তা মহিলারা সেলাই করেন। শীতের মরশুমে ঝারখণ্ড, বিহারে শিবির করে কেতুগ্রামের বালাপোশ বিক্রি হয়।
শিল্পীরা বলেন, একটা বালাপোশ বিক্রি করে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে লাভ হয়। আর আমরা একটা বালাপোশ সেলাই করে মজুরি পাই ৯০ টাকা। দিনে যে যত সেলাই করতে পারবে তার লাভ তত বেশি। বালাপোশ শিল্পী মিনতি বিশ্বাস, মিতালি বিশ্বাস বলেন, বালাপোশ তৈরি করেই গ্রামের মহিলারা আয় করেন। বালাপোশের উপর নানা নকশা ফুটিয়ে তুলে বাহারি বালাপোশ তৈরি করেন। গিরিশ সরকার বলেন, গ্রামে একটা সময় বাড়ির মহিলারা শুধু সংসার সামলাতেন। আর পুরুষরা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকতেন। এখন সে জায়গায় মহিলারা বালাপোশ তৈরি করে আয়ের মূল উৎস খুঁজে পেয়েছেন। গ্রামে সবার প্রায় মরশুমে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয়। এক-একজন মহিলারাই ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করেন।
একটা বালাপোশে ৩, ৪ বা ৫ কেজি তুলো ভরে করতে হয়। একটা গোটা বালাপোশ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। গ্রামে শিল্পীদের জন্যই ব্লক প্রশাসন বালাপোশ হাব তৈরি করে দিয়েছে। সেখানে শিল্পীরা কাঁচামাল রাখার গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।
তবে কেতুগ্রামের শান্তিনগর গ্রামজুড়ে বালাপোশ তৈরি হয়। প্রায় ৭টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এই বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। প্রতি গোষ্ঠীতে প্রায় ১০ থেকে ১২জন করে মহিলারা রয়েছেন। গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বাড়ির মহিলারাই বালাপোশ তৈরিতে যুক্ত। আর পুরুষরা সেই বালাপোশ রাজ্যজুড়ে বিক্রি করেন। কেতুগ্রামের শান্তিনগর গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই ১৯৯২ সাল থেকে বালাপোশ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। গ্রামের প্রায় অধিকাংশ বাড়ির মহিলারা শীতকালের শুরুতেই বাড়ির উঠানে বালাপোশ তৈরি করতে ব্যস্ত থাকেন। নদীয়া জেলার নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগর যাওয়ার রাস্তায় ভালুকা থেকে বালাপোশের জন্য বিশেষ তুলো, কাপড় সংগ্রহ করে আনেন। তারপর তা মহিলারা সেলাই করেন। শীতের মরশুমে ঝারখণ্ড, বিহারে শিবির করে কেতুগ্রামের বালাপোশ বিক্রি হয়।
শিল্পীরা বলেন, একটা বালাপোশ বিক্রি করে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে লাভ হয়। আর আমরা একটা বালাপোশ সেলাই করে মজুরি পাই ৯০ টাকা। দিনে যে যত সেলাই করতে পারবে তার লাভ তত বেশি। বালাপোশ শিল্পী মিনতি বিশ্বাস, মিতালি বিশ্বাস বলেন, বালাপোশ তৈরি করেই গ্রামের মহিলারা আয় করেন। বালাপোশের উপর নানা নকশা ফুটিয়ে তুলে বাহারি বালাপোশ তৈরি করেন। গিরিশ সরকার বলেন, গ্রামে একটা সময় বাড়ির মহিলারা শুধু সংসার সামলাতেন। আর পুরুষরা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকতেন। এখন সে জায়গায় মহিলারা বালাপোশ তৈরি করে আয়ের মূল উৎস খুঁজে পেয়েছেন। গ্রামে সবার প্রায় মরশুমে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয়। এক-একজন মহিলারাই ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করেন।
একটা বালাপোশে ৩, ৪ বা ৫ কেজি তুলো ভরে করতে হয়। একটা গোটা বালাপোশ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। গ্রামে শিল্পীদের জন্যই ব্লক প্রশাসন বালাপোশ হাব তৈরি করে দিয়েছে। সেখানে শিল্পীরা কাঁচামাল রাখার গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।



