Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মার্চের মধ্যে উন্নয়নের টাকা খরচ করতে হবে  বৈঠকে বার্তা মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের

মার্চের মধ্যে উন্নয়নের টাকা খরচ করতে হবে  বৈঠকে বার্তা মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের
  • ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: উন্নয়নের কাজে খরচ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকের ডাক দেয় মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। বুধবার সাড়ে ৩ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক চলে বহরমপুরের কালেক্টরেট বিল্ডিংয়ের কনফারেন্স রুমে। মূলত পঞ্চদশ অর্থ কমিশন ও পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের টাকা খরচই ছিল মূল বিষয়। সেখানে জেলার ২৬টি ব্লকের বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিরা হাজির ছিলেন। বৈঠক পরিচালনা ও কাজের পর্যালোচনা করেন স্বয়ং জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র। পঞ্চদশ অর্থ কমিশন ও পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের অর্থ খরচের নিরিখে মুর্শিদাবাদ জেলা পিছিয়ে পড়েছে। ৩১ মার্চের মধ্যে চলতি অর্থবছরের গোটা টাকা খরচ করাই এখন বাড়তি চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের। কাজের অগ্রগতি এবং আগামী পরিকল্পনা নিয়ে বহরমপুরে এসে গত ৯ জানুয়ারি জেলা প্রশাসন ও ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। তারপর এদিন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যমস্তর অর্থাৎ পঞ্চায়েত সমিতিগুলির সভাপতিদের সঙ্গে বিডিওদের মুখোমুখি বসিয়ে বৈঠক করানো হয়। কারণ, এই স্তরে বহু অর্থ খরচ করার সম্ভাবনা এবং সুযোগ রয়েছে।  বেশ কয়েকটি ব্লকের কাজ নিয়ে বিডিওদের প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।  প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, আলোচনার মূল বিষয় ছিল ফিফটিন ফিনান্সের ফান্ডের বহু টাকা পড়ে আছে। কাজ করলেই সেই টাকা খরচ হয়ে যাবে। আমাদের জেলায় ৬০ শতাংশ টাকা খরচ হয়েছে। আরও কাজের গতি বাড়িয়ে দুই মাসের মধ্যে টাকা শেষ করতে হবে। টাকা শেষ করতে না পারলে পরবর্তী টাকা ঢুকবে না। কিছু পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির কাজের ঘাটতি আছে। সেগুলি এদিন নজরে আনা হয়েছে। আশা করছি আগামী দু’মাসের মধ্যে পড়ে থাকা অর্থের খরচ হবে। 
Advertisement
জেলার এক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, বিডিওদের সঙ্গে অনেক জায়গাতেই সমস্যা রয়েছে। ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়ে যাওয়ায় কাজও নানভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। সেই সমস্যা দূর করে যাতে দ্রুত কাজে যৌথভাবে কাজে ফেরা যায় সে জন্য একটা ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি অনেক পঞ্চায়েত প্রধান পঞ্চায়েত দপ্তরে আসেন না। বিভিন্নভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। যে কারণে উন্নয়নের কাজ থমকে যায়। সেগুলি বন্ধ করতে হবে। পঞ্চায়েত প্রধানদের উন্নয়নের কাজে ভূমিকা নিতে হবে। যে যে পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েত কাজের নিরিখে পিছিয়ে আছে তাদের উপর বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ