নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রেকর্ড সময়ের মধ্যেই ৩৩০০ কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে ফেলল রাজ্য সরকার। যার জেরে মার্চের শুরু বা মাঝামাঝি সময় থেকে এই সমস্ত রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে বলেই দপ্তর সূত্রে খবর।
Advertisement
দীর্ঘ অপেক্ষার পরে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা-৩’এর (পিএমজিএসওয়াই) অধীনে রাস্তা তৈরির আর্থিক অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। এই প্রকল্পের ৬০ শতাংশ খরচ বহন করে কেন্দ্র এবং বাকি ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের আর্থিক অনুমোদন আসার সঙ্গে সঙ্গে নিজের অংশের টাকাও ছেড়ে দেয় রাজ্য অর্থ দপ্তর। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪৪০ কোটি টাকা। যা ব্যবহার করেই এই ৩৩০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ করা হবে বলেই এক আধিকারিক জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা-৩’এ ২০২২ সালের নভেম্বরে ৮৫৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্র। ৫৪৮ কোটি টাকা অর্থ মূল্যের এই কাজের অধিকাংশই শেষ করে ফেলেছে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। এই কাজ চলতে চলতেই ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আরও সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটারের কাজের অনুমোদন চাওয়া হয়। কেন্দ্র যৎসামান্য টাকা দিলেও, এই খাতের প্রায় ১১০০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। যার জেরে আটকে রয়েছে আরও প্রায় ২০০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ। এর আর্থিক অনুমোদন কবে আসবে, সে বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি বলেই রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর। অন্যদিকে, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানানো সহ অন্যান্য হেল্পলাইনের মাধ্যমে আরও প্রায় ২২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরির আবেদন এসেছে বলেও জানা গিয়েছে। যা তৈরি করতে খরচ পড়তে পারে ছ’হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষেত্রে একটি রাস্তা তৈরির জন্য একাধিক আবেদন এসেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে প্রশাসনিক কর্তারা মনে করছেন। সেই ক্ষেত্রে আবেদন ধরে ধরে যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। যা শেষ হলে এর মধ্যে নির্দিষ্ট করে আরও কত কিলোমিটার রাস্তা তৈরির প্রয়োজন পড়বে, তা স্পষ্ট হবে বলেই সূত্রের খবর।
প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা-৩’এ ২০২২ সালের নভেম্বরে ৮৫৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্র। ৫৪৮ কোটি টাকা অর্থ মূল্যের এই কাজের অধিকাংশই শেষ করে ফেলেছে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। এই কাজ চলতে চলতেই ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আরও সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটারের কাজের অনুমোদন চাওয়া হয়। কেন্দ্র যৎসামান্য টাকা দিলেও, এই খাতের প্রায় ১১০০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। যার জেরে আটকে রয়েছে আরও প্রায় ২০০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ। এর আর্থিক অনুমোদন কবে আসবে, সে বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি বলেই রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর। অন্যদিকে, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানানো সহ অন্যান্য হেল্পলাইনের মাধ্যমে আরও প্রায় ২২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরির আবেদন এসেছে বলেও জানা গিয়েছে। যা তৈরি করতে খরচ পড়তে পারে ছ’হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষেত্রে একটি রাস্তা তৈরির জন্য একাধিক আবেদন এসেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে প্রশাসনিক কর্তারা মনে করছেন। সেই ক্ষেত্রে আবেদন ধরে ধরে যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। যা শেষ হলে এর মধ্যে নির্দিষ্ট করে আরও কত কিলোমিটার রাস্তা তৈরির প্রয়োজন পড়বে, তা স্পষ্ট হবে বলেই সূত্রের খবর।



