নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: রাঢ়বঙ্গের বিষ্ণুপুর থেকে গৌড়। বাংলার নানা প্রান্তরে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য ও হেরিটেজ স্থান। যেগুলি আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) অধীনে। আগের সরকারের আমলে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের জেরে পর্যটন দপ্তরের সঙ্গে এএসআইয়ের সমন্বয় ছিল না। পালাবদলের পর এবার বাংলার হেরিটেজ পর্যটনে জোর দিয়েছে নতুন রাজ্য সরকার। সেই উদ্যোগকে কার্যকর করতে বুধবার এএসআইয়ের সঙ্গে পর্যটন দপ্তরের মউ স্বাক্ষরিত হল। সংস্কার থেকে শুরু করে পর্যটকদের জন্য একগুচ্ছ পরিষেবা চালু করা হবে।
সল্টলেকের উদয়াচলের ওই মউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) যদুবীর সিং রাওয়াত, যুগ্ম ডিরেক্টর জেনারেল অনিল তেওয়ারি, রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, পর্যটন দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বরুণকুমার রায়, পর্যটন দপ্তরের ডিরেক্টর তথা ডব্লুবিটিডিসিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুমন্ত সহায়, দপ্তরের সচিব সৌমিত্র শংকর সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এএসআইয়ের ১৩৫টি সাইট রয়েছে। সেখানে পর্যটন দপ্তর পর্যটকদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা, রাস্তা, টয়লেট, সুভেনিয়র শপ, পার্কিং, বসার জায়গা, সিসি ক্যামেরা, লাইট অ্যান্ড সাউন্ড প্রভৃতি কাজ করবে। এএসআইয়ের ডিজি বলেন, বিষ্ণুপুরসহ এরাজ্যে পর্যটনের বিশেষ দিক রয়েছে। এই মউ স্বাক্ষর পর্যটনকে আরও উন্নত করবে। পর্যটনমন্ত্রী শংকরবাবু বলেন, এএসআইয়ের অনুমতি নিয়ে কিছু ভগ্নপ্রায় স্থাপত্য আমরা সংস্কারও করব। রাজ্য টাকা খরচ করবে। এএসআইয়ের গাইডলাইন মেনে কাজ হবে। রিভার টুরিজমে জোর দেওয়ার জন্য চারটি জাহাজও কেনা হচ্ছে। কলকাতা ভ্রমণের জন্য বিশেষ অ্যাপ চালুও করা হবে। তাছাড়া, সব জেলার ডিজিটাল ম্যাপ ও পর্যটন কেন্দ্র জানানোর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে কিউআরকোড থাকবে।