Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবেদনের ১০ দিনের মধ্যেই বেশিরভাগ ক্লেমের টাকা মিলছে রাজ্যে: পিএফ দপ্তর

আবেদনের ১০ দিনের মধ্যেই বেশিরভাগ ক্লেমের টাকা মিলছে রাজ্যে: পিএফ দপ্তর
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রভিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) টাকা তুলতে একসময় কালঘাম ছুটত সাধারণ মানুষের। দিনের পর দিন দপ্তরে ঘুরে দরবার করতে হতো তাঁদের। সেই পরিস্থিতি বদলেছে, এমনটাই দাবি করছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা পিএফের টাকা তোলেন, তাঁদের বেশিরভাগকেই অবেদনের ১০ দিনের মধ্যে সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে, এমনটাই দাবি করেছেন কর্তারা। 

Advertisement

চাকরি জীবনের মেয়াদ শেষে যেমন পিএফের টাকা তোলেন গ্রাহক, তেমনই কর্মজীবনের মধ্যে অগ্রিম টাকা তোলা যায় পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে। গ্রাহকরা এই টাকা যাতে সহজে তুলতে পারেন, তার জন্য অনলাইন পরিষেবা চালু হয়েছে দেশজুড়ে। দপ্তরের কর্তারা বলছেন, এতে যেমন দুর্নীতি আটকানো গিয়েছে অনেকটাই, তেমনই টাকা তোলার আবেদন ‘প্রসেস’ হতেও কত সময় লাগছে। দপ্তরের কর্তারা জানাচ্ছেন, চলতি অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রায় ২০ লক্ষ ৮৭ হাজার গ্রাহক পিএফ থেকে টাকা তোলার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২০ লক্ষ ৮৪ হাজারের বেশি আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং টাকা পেয়ে গিয়েছেন গ্রাহক। আবেদনকারীদের ৮৪.৪৮ শতাংশ গ্রাহকই টাকা পেয়েছেন আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে, দাবি করেছেন দপ্তরের কর্তারা। ১১ থেকে ২০ দিনের মধ্যে টাকা পাওয়ার হার ১৪.০৯ শতাংশ, বলছেন তাঁরা। আবেদনের ২০ দিনের পরও টাকা পাননি, এমন গ্রাহকের হার ১.৪৩ শতাংশ। দপ্তরের কর্তাদের বক্তব্য, অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহক আবেদন করলেও, আধার, ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (ইউএএন) সহ নানা নথিতে সমস্যা থাকে। তাঁদের টাকা পেতে কিছুটা দেরি হয়। তা না-হলে চটজলদি টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয় গ্রাহকদের।
এরাজ্যের দায়িত্বে থাকা ইপিএফও’র কলকাতা জোনের অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় পিএফ কমিশনার রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, গ্রাহকের টাকা মেটানোকে যাতে সবার আগে প্রধান্য দেওয়া হয়, সেই ব্যাপারে অধিকারিক ও কর্মীরা সচেষ্ট। যাঁদের টাকা পেতে দেরি হয়, তাঁরাও যখন দপ্তরে যোগাযোগ করেন, তাঁদের অভিযোগগুলিও গুরুত্ব দিয়ে আমরা শুনি ও তার সুরাহার চেষ্টা করি। টাকা পাওয়া সহ অন্যান্য পরিষেবায় ঘাটতি থাকলে গ্রাহকরা সরাসরি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন অনলাইনে। সেই অভিযোগের মীমাংসাও হয় অতি দ্রুত। দপ্তরের কর্তাদের হিসেব, দ্রুত টাকা মেটানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে আগে রয়েছে জঙ্গিপুর, হাওড়া, দুর্গাপুর এবং বারাকপুর আঞ্চলিক অফিস।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ