Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০০ শতাংশ কাজ শেষ করে নজির গড়লেন ৩০-এর বেশি বিএলও

ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি, ফিল-আপের পর তা সংগ্রহ এবং সর্বোপরি তা ডিজিটাইজেশন— ১০০ শতাংশ কাজ শেষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সুন্দরবনের একাধিক বিএলও।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০০ শতাংশ কাজ শেষ করে নজির গড়লেন ৩০-এর বেশি বিএলও
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, বারুইপুর ও কাকদ্বীপ: কোনও বুথে রয়েছে এক হাজারের বেশি ভোটার, কোথাও আবার ৯০০। ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি, ফিল-আপের পর তা সংগ্রহ এবং সর্বোপরি তা ডিজিটাইজেশন— ১০০ শতাংশ কাজ শেষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সুন্দরবনের একাধিক বিএলও। সব মিলিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ৩০ জনেরও বেশি বিএলও এসআইআরের প্রথম ধাপের কাজ শেষ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই তালিকায় নজর কেড়েছে সাগর, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, বাসন্তীর মতো প্রত্যন্ত এলাকার বেশ কয়েকজন বিএলও। জগদ্দল পাহাড়ের মতো এই প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ করায় সংবর্ধিত হয়েছেন সাগরের ছ’জন বুথ লেভেল অফিসার।

Advertisement

কীভাবে সম্ভব হল এই কাজ? বিভিন্ন বুথের বিএলওরা বলেন, প্রতিদিন একেকজন ভোটারের বাড়িতে তিন-চারবার করে যেতে হয়েছে। সকালে যাঁদের ফর্ম দিতাম, দুপুরে তাঁদের কাছে গিয়ে দেখিয়ে দিতাম, কীভাবে পূরণ করতে হবে। আর সন্ধ্যায় গিয়ে সেই ফর্ম নিয়ে আসতাম। রাতের দিকে সেই ফর্ম ডিজিটাইজ করতাম। এই ফর্মুলাতেই নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ করেছি। 
একদিকে যখন বিএলওদের একাংশ প্রশংসা কুড়োচ্ছেন, তখন অন্যদিকে নানা কারণে বিতর্ক তৈরি হয়েছে আরেক অংশের বুথ লেভেল অফিসারদের নিয়ে। সোমবার রায়দিঘিতে ২১৮ নম্বর বুথের  বিএলওকে একটি দোকানে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। পরে মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের বিডিও স্বরূপ ভট্টাচার্যের হস্তক্ষেপে রায়দিঘি থানার পুলিশ গিয়ে ওই মহিলা বিএলওকে উদ্ধার করে। আসলে, ফর্মে ফোন নম্বর লেখা নিয়ে ওই বিএলও’র সঙ্গে এলাকার মানুষের একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। যা নিয়ে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আটকে রাখেন। বিএলও বিডিওকে বিষয়টি জানালে তিনি পুলিশকে খবর দেন।
এদিকে, বাসস্থান পরিবর্তন করায় ইনিউমারেশন ফর্ম পাননি কাকদ্বীপের এক দম্পতি। তাঁদের ডাকলেও ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএলও’র বিরুদ্ধে। বিভিন্ন দপ্তরে জানালেও তাঁরা কোনও সুরাহা পাননি। শেষ পর্যন্ত অনলাইনে অমল দাস নামের ওই বাসিন্দা ও তাঁর স্ত্রী ফর্ম ফিল আপ করেন। অমলবাবু আগে পরিবার নিয়ে নামখানা ব্লকের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতে বসবাস করতেন। চার বছর আগে তিনি কাকদ্বীপ ব্লকের অক্ষয়নগরের শিবপুরে জমি কিনে বাড়ি করে চলে আসেন। বর্তমানে তাঁরা এখানেই বসবাস করেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় তাঁরা ভোট দিতে যান বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতে। এখনও তাঁদের ভোট ওই এলাকাতেই রয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ