Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাজের গতি বৃদ্ধিতে প্রতি মাসে পর্যালোচনা বৈঠক, কর্মীদের মূল্যায়নে উদ্যোগী পুরসভা

কাজের গতি বৃদ্ধিতে প্রতি মাসে পর্যালোচনা বৈঠক, কর্মীদের মূল্যায়নে উদ্যোগী পুরসভা
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: কাজের গতি বৃদ্ধি করতে হবে। নাগরিকদের দ্রুত পরিষেবা দিতে হবে। এই বিষয়ে এবার উদ্যোগী কামারহাটি পুরসভা। এজন্য প্রতিমাসে প্রতিটি দপ্তরকে নিয়ে আলাদা করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিল পুরসভা কর্তৃপক্ষ। তাতে প্রত্যেক কর্মীর কাজের মূল্যায়নও করা হবে। ইতিমধ্যে মিউটেশন দপ্তরকে নিয়ে একটি বৈঠকও করা হয়েছে। পুরসভার দাবি, নতুন ব্যবস্থায় পুরসভা আরও গতিশীল হবে।

Advertisement

পরপর তিন বছর সম্পত্তি কর থেকে আয় বৃদ্ধি করে চমক দিয়েছিল কামারহাটি পুরসভা। স্রেফ বকেয়া আদায় করে এই খাতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আয় বাড়িয়েছিল তারা। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং থেকে গত বছরের তুলনায় এবার আট লক্ষ টাকা আয় বেড়েছে। সাধারণ মানুষের উপর চাপ না বাড়িয়ে আয় বৃদ্ধিতে চলতি অর্থবর্ষে বকেয়া আদায় ও হোর্ডিং থেকে আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু আয় বাড়িয়ে কোষাগার ভরানোর উদ্যোগে থেমে থাকতে চাইছে না পুরসভা। পুরসভায় আসা সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত পরিষেবা পান, তা নিশ্চিত করতে কড়া দাওয়াইয়ের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু কর্মীর গড়িমসির জন্য অনেক সরকারি প্রকল্পের কাজ ঢিমেতালে চলছে। রাজ্য সরকারের নানান প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষ পুরসভায় এসেও ঠিক সময়ে পরিষেবা পাচ্ছে না। বহু ক্ষেত্রে প্রথম দিন ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কাগজপত্র জমা নেওয়ার পর দ্রুত সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে বহু ক্ষেত্রে ঘোরানো হচ্ছে। অথচ, ওইসব কাজ দিনের দিন হয়ে যাওয়ার কথা। বিভিন্ন সময় এমন অভিযোগ পেয়ে এবং মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে বুঝেই এবার কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, প্রত্যেক সিআইসি মিটিংয়ে পুরসভার বিভিন্ন দপ্তরকে নিয়ে পৃথক বৈঠক হবে। সেখানে, কী কাজ বকেয়া আছে, কার কাছে কী কাজ পড়ে আছে, এইসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে দপ্তরের কর্মীদের কাজের মূল্যায়নও করা হবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, পরিষেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মানুষ পুরসভায় এসে বার বার ঘুরে যাবে, তা কাম্য নয়। তাছাড়া সরকারি নানান প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করার তাগিদ সর্বস্তরে থাকা উচিত। কোনও কাজ আটকে থাকলে, তার জটও কাটাতে হয়। তাই দপ্তর ধরে ধরে বৈঠক শুরু হয়েছে। কর্মীদের কাজের মূল্যায়নও করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ