Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাসের সমীক্ষায় নেওয়া হচ্ছে টাকা, গ্রামসভায় অভিযোগ মহেন্দ্রপুরবাসীর

পঞ্চায়েতে কাজ করাতে গেলে বারবার ঘুরে আসতে হয়। নিয়মিত অফিসে দেখা মেলে না কর্মী ও আধিকারিকদের।

আবাসের সমীক্ষায় নেওয়া হচ্ছে টাকা, গ্রামসভায় অভিযোগ মহেন্দ্রপুরবাসীর
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: পঞ্চায়েতে কাজ করাতে গেলে বারবার ঘুরে আসতে হয়। নিয়মিত অফিসে দেখা মেলে না কর্মী ও আধিকারিকদের। টাকা ছাড়া পঞ্চায়েতে কোনো কাজ হয় না—এমনই একাধিক অভিযোগ তুলে বিশেষ গ্রামসভায় পঞ্চায়েত আধিকারিকদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিলেন মহেন্দ্রপুরের বাসিন্দারা। জব কার্ড ও আবাসের সার্ভের নামেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

Advertisement

স্বাধীনতা দিবসে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশেষ গ্রাম সভা হয়। উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েতের এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ভোলানাথ হালদার, নির্মাণ সহায়ক তাপস রায়, সহায়ক ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মহম্মদ আব্দুর জাববার, উপপ্রধান জুল মহম্মদ, পঞ্চায়েত সদস্য এবং এলাকার বাসিন্দারা। সভায় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি পরিষেবা পেতে গেলে নানা অজুহাতে তাঁদের ঘোরানো হয়। জব কার্ড এবং আবাস যোজনার সার্ভের নামেও টাকা চাওয়া হচ্ছে। মহেন্দ্রপুরের বাসিন্দা বিমান দাস ও হাসেদুল ইসলাম বলেন, পঞ্চায়েত কর্মীদের একাংশ নিয়মিত অফিসে আসেন না। সার্ভের দায়িত্বে থাকা এক নোডাল কর্মী আবাসের নামে টাকা নিচ্ছেন। প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। উপপ্রধান জুল মহম্মদ বলেন, আবাসের সার্ভের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ব্লক প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে করেছি। এক কর্মী আট বছর ধরে নিয়মিত অফিসে আসেন না। বিষয়টি একাধিকবার ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা হয়নি।
পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক তাপস রায় বলেন, সবাই নিয়মিত অফিসে আসেন। 
তবে এক কর্মী আসেন না। বিষয়টি ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। টাকা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, একের পর এক অভিযোগ ওঠার পর কাজের রেজোলিউশন না করেই পঞ্চায়েত আধিকারিকরা সভা শেষ করে চলে যান। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ