


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলেই এমনটা সম্ভব। বিদেশের মাটিতে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করার জন্য পুরো স্কোয়াড হাতে পেলেন না কোচ খালিদ জামিল। মাত্র ১৮ জনের দল নিয়ে সোমবার লন্ডনে পা রাখলেন ভারতীয় কোচ। অথচ ইউনিটি কাপের জন্য অনেক আগেই ২৬ জনের দল বেছে নিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো তিনদিনের আবাসিক শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। তবে শেষ মুহূর্তে দলের ৭ ফুটবলারকে জাতীয় শিবির থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয় মোহন বাগান। তার জেরেই বিপাকে পড়েন ভারতীয় কোচ। উল্লেখ্য, চোটের কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন আনোয়ার আলি ও আশিক কুরুনিয়ান। পরে অবশ্য গোলরক্ষক ঋত্বিক তিওয়ারি আলাদা করে দলের সঙ্গে যোগ দেন। অর্থাৎ, ১৮ জনের দল নিয়েই জামাইকা, নাইজেরিয়ার মতো দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারতীয় দল।
এটাই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার জাতীয় শিবিরে ফুটবলার ছাড়েনি মোহন বাগান। এবার এই নিয়ে ফেডারেশনের ভাবা উচিত বলেই মনে করছেন প্রাক্তন ফুটবলার দেবজিৎ ঘোষ। তাঁর সাফ মন্তব্য, ‘মোহন বাগান যেভাবে বারবার জাতীয় শিবিরে ফুটবলার ছাড়া নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে, তাতে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। নাইজেরিয়া, জামাইকার মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ সহজে আসে না। বর্তমানে এশিয়ার স্তরে আমরা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে, তাতে দেশের ফুটবলকে সবার আগে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। গোটা বিষয়ে এবার শক্ত হাতে পরিচালনা করা উচিত ফেডারেশনের। শুনলাম, এজেন্টের কথাতে নাকি ফুটবলাররা জাতীয় শিবির ছেড়েছেন। সত্যি যদি সেটা হয়, তাহলে তা দুর্ভাগ্যজনক। এই সকল ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলুক। প্রয়োজনে এদের বাদ দিয়েই এগিয়ে চলুক ভারতীয় দল। এমন নয় যে, এই ফুটবলাররা দলে থাকলে আমরা পাঁচ গোলে জিতব। তাই প্রয়োজনে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ফুটবলারকে বেশি করে সিনিয়র দলে সুযোগ দেওয়া হোক।’ দীপেন্দু বিশ্বাসের মন্তব্য, ‘দেশের জার্সি গায়ে চাপানোর সুযোগ সবার হয় না। তাই এক্ষেত্রে খেলোয়াড়রা আরও বেশি উদ্যোগী হতে পারত।’ আর গোটা পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে কোচ খালিদ জামিল। তিনি বলেন, ‘মোহন বাগানের উচিত ছিল, আগে থেকে সব জানানো। তাহলে সেই মতো ফুটবলার বেছে নিতাম। তবে এখন আর ভেবে লাভ নেই। এই দল নিয়েই লড়াই করতে হবে।’
মালদ্বীপকে ১১ গোলের মালা পরাল ভারতের মেয়েরা: স্যাফ কাপে দুরন্ত শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে সোমবার মালদ্বীপকে ১১ গোলের মালা পরালেন সঙ্গীতা, প্রিয়াঙ্কারা। তার মধ্যে চারটি লক্ষ্যভেদ অভিকার। জোড়া গোল প্রিয়াঙ্কার এবং করিশ্মার। একটি করে গোল করেন পেয়ারি, গ্রাসি ও সঙ্গীতা।