Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মোহরকুঞ্জের মিউজিক্যাল ফোয়ারা ১০ বছর ধরে বন্ধ, ফের চালুর খরচ নিয়ে চিন্তা

মোহরকুঞ্জের মিউজিক্যাল ফোয়ারা ১০ বছর ধরে বন্ধ,  ফের চালুর খরচ নিয়ে চিন্তা
  • ৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় ১০ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে মোহরকুঞ্জের ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড মিউজিক্যাল ফাউন্টেন’। দৃষ্টিনন্দন এই ফোয়ারা অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় দামি যন্ত্রপাতিও পড়ে পড়ে নষ্ট হয়েছে। নতুন করে সেই ফোয়ারা চালু করার পরিকল্পনা করছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু, খরচের কথা চিন্তা করে বিষয়টি নিয়ে আপাতত ঝুলে রয়েছে। নতুন মেশিন লাগিয়ে এই ফোয়ারাটি আগের মতো চালু করতে গেলে দরকার প্রায় আড়াই কোটি টাকা। তার উপর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচও প্রচুর। 

Advertisement

পুরসভার উদ্যান বিভাগ সূত্রে খবর, একটা সময় মোহরকুঞ্জে বানানো এই ফোয়ারা চালানো এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এক বেসরকারি সংস্থাকে। কিন্তু বিষয়টি খরচ সাপেক্ষ হওয়ায় কিছু সময় পর সরে আসে ওই সংস্থা। পরে আরেক সংস্থা দায়িত্ব নিয়েছিল। কিন্তু তারাও বেশি দিন চালাতে পারেনি। তারপর থেকে সেটি ওই অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে। ফোয়ারাটিও ঠিক মতো চলে না, ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ তো দূরের কথা! গোটা সিস্টেম সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি খারাপ হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু এই নৃত্যরত ঝর্ণাটি নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহের শেষ ছিল না। অনেকেই সন্ধ্যার পর সেখানে যেতেন এই ফোয়ারা দেখতে। সম্প্রতি পুরসভার উদ্যান বিভাগ এই ফোয়ারাটি নতুন করে চালু করার জন্য আলোচনা শুরু করেছে। কিন্তু বাধ সাধছে খরচ। পুরসভার এক কর্তা বলেন, যে সংস্থা প্রথমে এটি তৈরি করেছিল, তারা এক কোটি টাকা খরচ করেছিল। বর্তমানে এটি পুরনো রূপে চালু করতে গেলে ২.৫ কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে শব্দ ছাড়া শুধু আলোর ফোয়ারা চালু করতে গেলে ৮০ লক্ষ টাকায় হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা খুব একটা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। যদিও এই প্রসঙ্গে পুরসভার উদ্যান বিভাগের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার বলেন, আলোচনা হয়েছে। এজন্য দরপত্র ডাকা হবে।
তবে, রক্ষণাবেক্ষণের খরচ নিয়ে চিন্তিত পুর কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, প্রতি বছর এই  ঝর্ণার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২৪ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা লাগবে। এত টাকা আসবে কোথা থেকে, তা এখনও চুড়ান্ত হয়নি। ওই কর্তা আরও বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের (এন-ক্যাপ) টাকায় নতুন করে ফোয়ারাটি সংস্কার করা সম্ভব। কিন্তু, সেখানে সর্বোচ্চ এক বছরের রক্ষণাবেক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তারপর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি পুরসভাকেই সামলাতে হবে। তাই সবদিক ভেবেচিন্তে এগনো হচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ