বেঙ্গালুরু: বঙ্গজয়ে উজ্জীবিত বিজেপি। এবার কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকেও পদ্ম ফোটাতে তৎপর গেরুয়া শিবির। তাই বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের পরদিন দক্ষিণী রাজ্যে প্রচারে গিয়েও পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, কর্ণাটকে কংগ্রেসে অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে জনগণকে সুশাসন দিতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আজকের দিনে কংগ্রেস পরনির্ভরশীল দল। প্যারাসাইট পার্টি। এদিন বঙ্গ জয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের রাজনীতির অভিমুখ ঠিক করতে এই নির্বাচনের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের যুব সম্প্রদায়, মহিলা, কৃষক, গরিব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি কি চাইছেন, তার আভাস মিলেছে। মানুষ আর দুর্নীতি চাইছে না। তারা সরকারি কাজে গতি, সমস্যার দ্রুত সমাধান চাইছেন। সকলের দাবি, দেশের স্বার্থে রাজনীতি হোক। একমাত্র বিজেপিই সুশাসন দিতে পারে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, কর্ণাটকের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের দড়ি টানাটানি অব্যাহত। এদিন বেঙ্গালুরুর সভা থেকেও এই প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন মোদি। তাঁর কথায়, কংগ্রেস ঠিকই করতে পারছে না, সিদ্ধারামাইয়া কতদিন মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকবেন। অন্য কারও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হওয়া নিয়েও সংশয় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের কোনো নীতি নেই। সেকারণে কিছু দিনের মধ্যেই প্রতিষ্ঠান বিরোধী হওয়া বইতে শুরু করেছে। কারণ, কংগ্রেস শুধু মানুষকে ঠকাতে জানে। তাদের সব প্রতিশ্রুতি মিথ্যা। এরপরই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে কর্ণাটক ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আজ দেখতে পারছি, বেঙ্গালুরুর মাটিতে গেরুয়া সূর্য উঠেছে। এদিন তামিলনাড়ুর ভোট পরবর্তী জোট নিয়েও কংগ্রেসকে তুলোধনা করছেন মোদি। নির্বাচনে ডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোটে ছিল হাত শিবির। কিন্তু, ফলাফল প্রকাশের পর স্ট্যালিনের দলের সঙ্গ ছেড়ে তারা বিজয়ের টিভিকেকে সমর্থন করেছে। সেই নিয়ে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, কংগ্রেস এখন একটা প্যারাসাইট পার্টি। শরিকদলকেও ঠকাতে তারা দু’বার ভাবে না। তামিলনাড়ুতেও রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকতে তারা অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে।