Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬

‘ককরোচ’ আর সংসদীয় কমিটির জোড়া ফলায় চাপে মোদি সরকার

ককরোচ জনতা পার্টি ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ৬ জুনের প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন।

‘ককরোচ’ আর সংসদীয় কমিটির জোড়া ফলায় চাপে মোদি সরকার
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রধান অভিজিৎ ডিপকে আগামী ৬ জুন সকালে ফিরছেন বিদেশ থেকে। সেদিনই সকালে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় অনুমোদন আদায় করতে যাবেন তিনি। সদলবলে। ইস্যু: যন্তরমন্তরে শান্তিপূর্ণ ধরনায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি। যোগ দেবেন লাদাখের পরিবেশ সচেতক সোনম ওয়াংচু। বুধবার ককরোচ জনতা পার্টির তিন মুখপাত্র সৌরভ দাস, বিজেতা দহিয়া এবং আশুতোষ রাঙ্কা কনস্টিটিউশনে ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, আমাদের দাবি একটাই, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। ভুল করলে সরকার যদি তার দায় না নেয়, তাহলে ককরোচ জনতা পার্টি সরব হবেই। চলবে লাগাতার প্রতিবাদ। সরকার যেন ভুলে না যায় যে, আমাদের শক্তি তরুণ প্রজন্ম। যারা শাসকের চোখ রাঙানি ভয় পায় না। ধরনার অনুমতি না দিলে কী হবে, সেটা তখনই ঠিক হবে। বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে ছেলেখেলা চলবে না। 

Advertisement

যদিও নিট (ইউজি)র প্রশ্ন ফাঁস, সিবিএসই’র অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) ব্যর্থতাকে সরকার ‘টেনকিক্যাল ত্রুটি’ বলেই ঢাল ধরছে। তাই এ ধরনের চাপে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে মোদি সরকার নতিস্বীকারে নারাজ। বিষয়টিকে তাই অত্যন্ত কৌশলে ‘কালেকটিভ রেসপন্সিবিলিটি’ বলেই ব্যাখা করছে। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ ব্যাপারে এক মন্ত্রীর মন্তব্য, ‘স্রেফ ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দোষী করা ঠিক নয়। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীও কিছু মন্তব্য করেননি। বিষয়টি সম্মিলিত দায়িত্ব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।’ যদিও রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মন্ত্রিসভার রদবদলে সরিয়ে দেওয়া হবে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। এতে বিরোধীদের দাবিও মানা হবে না। আবার দায়িত্ব থেকে সরানোও হবে। 
এদিকে, সরকারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে শিক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি।  নিটের পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএ’র ডিজি অভিষেক সিংয়ের থেকে আগামী ১০ জুনের মধ্যে একগুচ্ছ প্রশ্নের লিখিত জবাব চেয়েছে, একইভাবে আগামী ৮ জুনের মধ্যে সিবিএসই’কে প্রায় ৩০ টি প্রশ্নের জবাব সংসদীয় কমিটিকে জানাতে হবে। সিবিএসসি’র কাছ থেকে কমিটি জানতে চেয়েছে, ২০২৬ সালে দ্বাদশ শ্রেণির উত্তীর্ণের হার এবং গড় নম্বর কমার কারণ কি? সারা দেশে ওএমএস চালুর আগে কি সিবিএসই কোনো পাইলট প্রকল্প করেছিল? পরীক্ষকদের স্ক্রিনে মূল্যায়ন এবং কাগজে মূল্যায়নের ফলাফল নিয়ে আদৌ কোনো তুলনা করেছিল কি? ওএমএস সফটওয়্যার সংক্রান্ত টেন্ডারের বিস্তারিত জানাতে হবে। আগামী বছরও কি ওএমএসে’ই খাতা দেখা হবে? নাকি সম্পূর্ণ ডিজিটাল মূল্যায়নের পরিবর্তে হাইব্রিড মূল্যায়ন পদ্ধতি বিবেচনা করা হচ্ছে? 

সম্পর্কিত সংবাদ