Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬

এনটিএ’র সংস্কারে ৬ সদস্যের কমিটি মোদির, নেতৃত্বে নন্দন নিলেকানি

ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সংস্কারে গঠিত হলো ৬ সদস্যের কমিটি, নেতৃত্বে নন্দন নিলেকানি। সরকারের পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ। বিস্তারিত পড়ুন।

এনটিএ’র সংস্কারে ৬ সদস্যের কমিটি মোদির, নেতৃত্বে নন্দন নিলেকানি
  • ২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ককরোচদের দাপটে কেন্দ্র এতটাই বিপর্যস্ত যে ঘন ঘন ভিডিয়ো বার্তা দিতে হচ্ছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। রবিবার ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী ১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের এক সেলফি মোডের বার্তায় জানিয়েছেন, পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার সরকারের অগ্রাধিকার। তাই যারা প্রশ্নফাঁসে জড়িত। যারা বিদ্যার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে ছেলেখেলা করেছে, তারা আজ জেলে পচছে। সরকার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টও গড়ছে। সংসদে আনা হচ্ছে কঠোর সংশোধনী বিলও। তারই পাশাপাশি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)র সংস্কারে গড়া হচ্ছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি। যার মাথায় থাকবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ নন্দন নিলেকানি। 

Advertisement

ছয় সদস্যের এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান এস সোমনাথ, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর সদ্য প্রাক্তন ডিরেক্টর তপন ডেকা, আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর ভি কামাকোটি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষাসচিব অনিতা কারওয়াল এবং লজিস্টিকস বিশেষজ্ঞ অমৃত লাল মিনা। এই বিশেষজ্ঞ কমিটির উদ্দেশ্য হলো ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ, নিরাপদ ও প্রযুক্তি নির্ভর করে তোলা। পাশাপাশি পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কার এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সুপারিশ প্রদান। যদিও কতদিনের মধ্যে এই কমিটি রিপোর্ট দেবে, তা স্পষ্ট করেনি সরকার। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল, কংগ্রেস সাংসদ দিগ্বিজয় সিংয়ের সভাপতিত্বে শিক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি আগেই এনটিএ’র সংস্কারের জন্য সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সরকার সাড়া দেয়নি। এখন তারুণ্যের তীব্র প্রতিবাদে বেসামাল মোদি সেই কাজ করতে বাধ্য হলেন।  অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় তড়িঘড়ি কর্ণাটক থেকে দিল্লিতে এলেন প্রহ্লাদ যোশি। তিনি এখন কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রী। তাঁকেই শিক্ষামন্ত্রীর অতিরিক্ত  দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই আর সময় নষ্ট না করে রবিবার ছুটির দিনেই বুঝে নিলেন দায়িত্বভার। কর্তব্য ভবনে শিক্ষামন্ত্রকের অফিসে সাতটি বৈঠক করেন। সংসদের বাদল অধিবেশনে সাংসদরা কী প্রশ্ন করছেন, তাও দেখে নেন। যদিও মন্ত্রক সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না বলেই এদিন সাংবাদিকেদের জানান প্রহ্লাদ যোশি। বলেন, প্রধানমন্ত্রীজি অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে এই মন্ত্রক সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। তাই বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আগে সবটা বুঝি, তারপর বলতে পারব, কোথায় কী খামতি। কোথায় কী করতে হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ