বিশেষ সংবাদদাতা, ইম্ফল: আগেই হারিয়েছেন শরিক দলগুলির আস্থা। এবার কি নিজের দলেও কোণঠাসা মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং? রাজ্যের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর ডাকা বৈঠকে ছিলেন না ১১ বিজেপি বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে অন্যতম জিরিবামের বিধায়ক মহম্মদ আছাবউদ্দিন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর অনুপস্থিতি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার সিল করে দেওয়া হয়েছে মণিপুর-অসম সীমানা। এদিন মণিপুরে ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা অবশ্য যথারীতি বন্ধ। তবে ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিম ও কাকচিং জেলায় কার্ফু শিথিল করা হয়েছে।
Advertisement
সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ না দেওয়া জন্য বিজেপির ছ’জন বিধায়ক 'অসুস্থতার' কারণ দেখিয়েছেন। বাকিরা কোনও কারণ জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি। ফলে মাত্র ২৭ জন বিধায়ক নিয়েই এই বৈঠক করতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি কংগ্রেস। দলের নেতা জয়রাম রমেশের বক্তব্য, রবিবার রাতের ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সেই দেওয়াল লিখন পড়তে পারছেন কি? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
মেইতেইদের সংগঠন ‘কোকোমী’ মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সোমবারের বৈঠকে রাজ্য সরকারের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলি প্রত্যাখ্যান করেছে। এই প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য সরকারকে ২৪ ঘণ্টার চরম সময়সীমা দিয়েছে তারা। দাবি পূরণ না হলে বিক্ষোভ চলতে থাকবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
চলতি উত্তেজনার মধ্যেই জিরিবামে সিআরপিএফের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে নিহত ১০ কুকি সদস্যকে ‘শ্রদ্ধা জানাতে’ মঙ্গলবার চুড়াচাঁদপুরে একটি ‘কফিন মিছিল’ বের করে ওই সম্প্রদায়ের লোকজন। যা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।
এদিকে, মণিপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার মণিপুরে যে ঘটনা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের আরও তৎপর হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। বিমানবাবু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দায়বদ্ধতা রয়েছে। কঠোরভাবে কেন্দ্রের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা তারা অস্বীকার করতে পারে না।’
মেইতেইদের সংগঠন ‘কোকোমী’ মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সোমবারের বৈঠকে রাজ্য সরকারের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলি প্রত্যাখ্যান করেছে। এই প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য সরকারকে ২৪ ঘণ্টার চরম সময়সীমা দিয়েছে তারা। দাবি পূরণ না হলে বিক্ষোভ চলতে থাকবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
চলতি উত্তেজনার মধ্যেই জিরিবামে সিআরপিএফের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে নিহত ১০ কুকি সদস্যকে ‘শ্রদ্ধা জানাতে’ মঙ্গলবার চুড়াচাঁদপুরে একটি ‘কফিন মিছিল’ বের করে ওই সম্প্রদায়ের লোকজন। যা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।
এদিকে, মণিপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার মণিপুরে যে ঘটনা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের আরও তৎপর হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। বিমানবাবু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দায়বদ্ধতা রয়েছে। কঠোরভাবে কেন্দ্রের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা তারা অস্বীকার করতে পারে না।’



