Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মঙ্গলকোটে তৃণমূল নেতা খুনের অভিযোগে ধৃত আরও ২

মোবাইলের সিমকার্ড খুলে ফেলেও রেহাই মিলল না। মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতা খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল আরও দুই যুবক। ধৃতদের নাম গণেশ দাস ও দেবব্রত মাঝি। তাদের বাড়ি মঙ্গলকোটের আড়ঘড়া গ্রামে। বুধবার কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে তোলা হলে, বিচারক তাদের সাতদিন পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন

মঙ্গলকোটে তৃণমূল নেতা খুনের অভিযোগে ধৃত আরও ২
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাটোয়া: মোবাইলের সিমকার্ড খুলে ফেলেও রেহাই মিলল না। মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতা খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল আরও দুই যুবক। ধৃতদের নাম গণেশ দাস ও দেবব্রত মাঝি। তাদের বাড়ি মঙ্গলকোটের আড়ঘড়া গ্রামে। বুধবার কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে তোলা হলে, বিচারক তাদের সাতদিন পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় গণেশ ও দেবব্রত আটঘড়া গ্রামে অভিযুক্তদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রেখে চলেছিল। পরে প্রমাণ লোপাট করতে তারা ফোনের সিমকার্ড খুলে ফেলে দেয়। কিন্তু তদন্তকারীরা কল রেকর্ড দেখে সেই তথ্য জানতে পারেন। তাদের এদিন নতুনহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে ধরা হয়। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কাটোয়া আদালত থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মঙ্গলকোটের লাখুরিয়ার তৃণমূল সভাপতি মফিজুল শেখ ও লালু শেখ। নতুনহাট-গুসকরা রোড ধরে তাঁরা আটঘড়া যেতেই একটি চারচাকা গাড়ির সঙ্গে বাইকের ধাক্কা লাগে। দু’জনেই ছিটকে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা দু’জনকে মঙ্গলকোটের নতুনহাট গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসক লালু শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। আর জখম মফিজুলকে কলকাতা থেকে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে আনা হয়। ঘটনার পরদিনই মৃতের ছেলে সাহিন শেখ দলেরই নেতা-কর্মীদের নামে মঙ্গলকোট থানায় লিখিতভাবে খুনের অভিযোগ জানান। তিনি পুলিসকে জানিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে তাঁর বাবাকে খুন করা হয়েছে। গাড়ি থামিয়ে সবাই মিলে নাকি পিটিয়ে খুন করে। আরও অভিযোগ, টার্গেট ছিল মফিজুল। কিন্তু তিনি কোনওরকমে বেঁচে যান। অঞ্চল সভাপতিকেও খুনের চেষ্টা করা হয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ