Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ময়নায় যুবতীর কাটা মাথার খোঁজে তল্লাশি পুলিসের

ময়নায় যুবতীর কাটা মাথার খোঁজে তল্লাশি পুলিসের
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মঙ্গলবার ময়নায় চণ্ডীয়া নদীর ধারে ড্রোন উড়িয়ে নিহত বস্তাবন্দি যুবতীর কাটা মাথার খোঁজ চালাল পুলিস। চণ্ডীয়া নদীতে নেমেও কাটা মাথার খোঁজ চালানো হয়। এদিন তমলুকের মহকুমা পুলিস অফিসার আফজল আব্রার ঘটনাস্থলে যান। এলাকাটি দুই মেদিনীপুর সীমানাবর্তী। ময়নার পাশাপাশি ঘটনাস্থলে সবং থানার পুলিসও পৌঁছায়। পুলিসের পক্ষ থেকে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে নদীপাড়ের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। উল্লেখ্য, রবিবার সকালে ময়না থানার রায়চক গ্রামে চণ্ডীয়া নদী থেকে মুণ্ডহীন বস্তাবন্দি যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের পর তিন দিন কেটে গিয়েছে। এখনও যুবতীর পরিচয় উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। কাটা মাথার খোঁজ না মেলায় শনাক্তকরণে সমস্যা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তে নেমে আতান্তরে পড়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, নিহত যুবতীর বয়স আনুমানিক ৩০থেকে ৩৫বছর। হাতে শাঁখা ও পলা ছিল। বাম হাতের পাঁচটি নখে লাল রঙের নেলপলিস ছিল। এছাড়াও দুই পায়ের সবকটি নখে নেলপলিশ লাগানো ছিল। নিহত বধূর উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট। পাটের বস্তার মধ্যে মুণ্ডহীন দেহ ছিল। একটি পা ও একটি হাত বস্তার বাইরে বেরিয়ে ছিল। ওই এলাকায় চণ্ডীয়ার নদী এখন খালের চেয়েও সংকীর্ণ। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ বাঁধা রয়েছে। তাই ওই বস্তা ভেসে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বরং বস্তাবন্দি দেহ ওই এলাকায় গিয়ে নদীতে ফেলা হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সবক’টি থানায় মৃতদেহের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিসের কাছেও ওই তথ্য শেয়ার করা হয়েছে। কোনও থানা এলাকায় কেউ গৃহবধূ নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেছে কি না, সেসব ঘেঁটে দেখা হচ্ছে। দেহের সঙ্গে মাথা আলাদা থাকায় শনাক্তকরণে সমস্যা হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ