নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোচ মানোলো মার্কুয়েজের প্রশিক্ষণে জয় অধরাই রইল ভারতের। সোমবার হায়দরাবাদের গাচ্চিবৌলি স্টেডিয়ামে আয়োজিত ফিফা ফ্রেন্ডলিতে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল সন্দেশ-আনোয়াদের। ১৯ মিনিটে গোলরক্ষক গুরপ্রীতের অমার্জিত ভুলে পিছিয়ে পড়ে ব্লু টাইগার্স। এরপর ৩৯ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান রাহুল ভেকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে চেষ্টা করেও জয়সূচক গোল তুলে নিতে ব্যর্থ ভারতীয় অ্যাটাকাররা। মানোলো জমানায় এখনও পর্যন্ত চারটি ম্যাচ খেলেছে ভারত। তারমধ্যে তিনটি ড্র ও একটি হার। শুধু তাই নয়, ২০১৪ সালের পর চলতি বছরে এই প্রথম কোনও ম্যাচ জিততে পারেনি ভারতীয় দল। স্বাভাবিকভাবেই এএফসি এশিয়ান কাপের আগে দলের এই পারফরম্যান্স স্প্যানিশ কোচের উপর চাপ বাড়াচ্ছে।
Advertisement
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে আট ধাপ পিছিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সোমবার জয়ের লক্ষ্যে দলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিলেন স্প্যানিশ কোচ। বিশেষ করে আপফ্রন্টে গোল করার লোকের অভাব ঢাকতে ফারুখ চৌধুরী ও ইরফান ইয়াডওয়াডকে শুরু থেকে খেলান মানোলো। তবে বর্তমানে এই ভারতীয় দলের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা গোলরক্ষক পজিশন। অতীতে একাধিকবার দায়িত্ব নিয়ে দলকে ডুবিয়েছেন গুরপ্রীত। এদিনও তাঁর ভুলেই গোল হজম করে ভারত। ম্যাচের ১৯ মিনিটে প্রতিপক্ষ বক্স থেকে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করতে গোল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। তবে বলে নাগাল পেতে ব্যর্থ তিনি। মাথায় উপর থেকে বল বেরিয়ে যেতেই গোল করতে ভুল হয়নি মালয়েশিয়ার পাওলো জোসুয়ের (১-০)।
ইগর স্টিমাচ থেকে মানোলো মার্কুয়েজ— সকলের প্রশিক্ষণেই গত কয়েক বছর ধরে অটোমেটিক চয়েজ গুরপ্রীত। তাই আইএসএলে ধারাবাহিক পারফর্ম করেও বেঞ্চে বসেই কাটাতে হচ্ছে বিশাল কাইথকে। আর কবে সুযোগ পাবেন তিনি? এদিনের পর সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হল। ফেডারেশন সভাপতি নিজে গোলরক্ষক ছিলেন। এবার অন্তত বিশালকে নিয়ে তাঁর ভাবা উচিত।
শুরুতে গোল হজমের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। ৩৯ মিনিটে ব্রেন্ডনের ভাসানো কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ রাহুল ভেকের (১-১)। বিরতির পর ম্যাচে দ্বিতীয় গোলের লক্ষ্যে আক্রমণ চাপ বাড়ায় ভারত। এই পর্বে বেশ কয়েকবার প্রতিপক্ষ বক্সে হানা দিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ ফারুখ-ইরফানরা। আসলে সুনীল ছেত্রীর অভাব ঢাকার মতো ফুটবলার এখনও নেই এই দলে। প্রান্তিক আক্রমণে গতি বাড়াতে ছাংতের জায়গায় মনবীরকে আনেন কোচ মানোলো। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। শেষের দিকে জিতিন-এডমুন্ড নামলেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং সংযোজিত সময়ে পোস্ট বাধা হয়ে না দাঁড়ালে জিততেও পারত মালয়েশিয়া।
ভারত: গুরপ্রীত, রাহুল (ভালপুইয়া), সন্দেশ, আনোয়ার, রোশন, আপুইয়া, ব্রেন্ডন (লিস্টন), সুরেশ (ভিবিন), ফারুখ (জিতিন), ছাংতে (মনবীর) ও ইরফান (এডমুন্ড)।
ইগর স্টিমাচ থেকে মানোলো মার্কুয়েজ— সকলের প্রশিক্ষণেই গত কয়েক বছর ধরে অটোমেটিক চয়েজ গুরপ্রীত। তাই আইএসএলে ধারাবাহিক পারফর্ম করেও বেঞ্চে বসেই কাটাতে হচ্ছে বিশাল কাইথকে। আর কবে সুযোগ পাবেন তিনি? এদিনের পর সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হল। ফেডারেশন সভাপতি নিজে গোলরক্ষক ছিলেন। এবার অন্তত বিশালকে নিয়ে তাঁর ভাবা উচিত।
শুরুতে গোল হজমের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। ৩৯ মিনিটে ব্রেন্ডনের ভাসানো কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ রাহুল ভেকের (১-১)। বিরতির পর ম্যাচে দ্বিতীয় গোলের লক্ষ্যে আক্রমণ চাপ বাড়ায় ভারত। এই পর্বে বেশ কয়েকবার প্রতিপক্ষ বক্সে হানা দিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ ফারুখ-ইরফানরা। আসলে সুনীল ছেত্রীর অভাব ঢাকার মতো ফুটবলার এখনও নেই এই দলে। প্রান্তিক আক্রমণে গতি বাড়াতে ছাংতের জায়গায় মনবীরকে আনেন কোচ মানোলো। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। শেষের দিকে জিতিন-এডমুন্ড নামলেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং সংযোজিত সময়ে পোস্ট বাধা হয়ে না দাঁড়ালে জিততেও পারত মালয়েশিয়া।
ভারত: গুরপ্রীত, রাহুল (ভালপুইয়া), সন্দেশ, আনোয়ার, রোশন, আপুইয়া, ব্রেন্ডন (লিস্টন), সুরেশ (ভিবিন), ফারুখ (জিতিন), ছাংতে (মনবীর) ও ইরফান (এডমুন্ড)।
ভারত- ১ : মালয়েশিয়া- ১
(রাহুল) (পাওলো)
(রাহুল) (পাওলো)



