নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘পাক জঙ্গি গোষ্ঠি সুকৌশলে মালদ্বীপের জমি ব্যবহার করে সেদেশের নাগরিকদের মধ্যে ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব গড়ে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে’— চলতি মাসের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এক বার্তায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে এভাবে সতর্ক করেছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এই বার্তা সঠিক হলে, সেক্ষেত্রে বিদেশ মন্ত্রকের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কারণ, বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ইতিমধ্যে সেখানে ভারত বিরোধী মনোভাব মাথাচাড়া দিয়েছে। সেই সুযোগে বাংলাদেশের তপ্ত মাটিতে ভারত বিরোধী জেহাদি গড়ে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। ঠিক এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত মালদ্বীপে ভারত- বিদ্বেষ ছড়ালে, তা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বিদেশনীতির ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে।
Advertisement
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চীনপন্থী মাইজু সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে সাময়িক দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়ে মাইজুর চীনপ্রীতিতে ভাটা পড়েছে। এখন দু’দেশের সম্পর্ক অনেকটাই মসৃন। বিশেষকরে, মাইজু সাম্প্রতিক দিল্লি সফরের পর জটিলতা অনেকটাই কেটে গিয়েছে।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের পাঠানো ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘শুধু মালদ্বীপের মাটিতে নয়। দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্যে বিশেষ করে, কর্মসূত্রে মালদ্বীপের বেশ কিছু নাগরিক কেরলে বসবাস করেন। ইসলামিক স্টেট বা আইএসপন্থীরা তাঁদের মধ্যে ভারত সম্পর্কে কৌশলে ঘৃণা ছড়াচ্ছে।’ মালদ্বীপের নাগরিকদের পাশাপাশি, শ্রীলংকার নাগরিকরাও টার্গেট। এরজন্য দক্ষিণ ভারতের জলপথে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলে স্বারাষ্ট্র মন্ত্রককে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। কারণ, জলপথ ব্যবহার করে পাক জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা ক্রমাগত ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের পাঠানো ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘শুধু মালদ্বীপের মাটিতে নয়। দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্যে বিশেষ করে, কর্মসূত্রে মালদ্বীপের বেশ কিছু নাগরিক কেরলে বসবাস করেন। ইসলামিক স্টেট বা আইএসপন্থীরা তাঁদের মধ্যে ভারত সম্পর্কে কৌশলে ঘৃণা ছড়াচ্ছে।’ মালদ্বীপের নাগরিকদের পাশাপাশি, শ্রীলংকার নাগরিকরাও টার্গেট। এরজন্য দক্ষিণ ভারতের জলপথে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলে স্বারাষ্ট্র মন্ত্রককে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। কারণ, জলপথ ব্যবহার করে পাক জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা ক্রমাগত ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে।



