সংবাদদাতা, বারুইপুর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি পঞ্চায়েত এলাকায় ভোটার তালিকার স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে সামনে এসেছিল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেখানে লোকসভা ভোটের পর গত সাত মাসে ভোটার বেড়েছে সাড়ে চার হাজার! এই ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে শোরগোল পড়েছিল প্রশাসনিক মহলে। জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বিধায়ক বিভাস সর্দারের নির্দেশে রবিবার সকাল থেকেই চম্পাহাটি পঞ্চায়েতে ফের শুরু হয়েছে স্ক্রুটিনির কাজ। পাশাপাশি, এদিন বারুইপুরের মিছিল থেকে বিধানসভার অধ্যক্ষ তথা বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করার দাবি জানিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশনের ডাক দিয়েছেন। এদিনও চম্পাহাটি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে গরমিল খুঁজে পান পঞ্চায়েতের সদস্যরা। উপপ্রধান মিতালী গায়েন মণ্ডল বলেন, আমার বুথে প্রায় ৩০০ পরিবার আছে। তাঁদের সবাইকেই আমি চিনি। কিন্তু ভোটার তালিকা ধরে সমীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, প্রচুর বহিরাগতের নাম রয়েছে। তাঁরা আসলে মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরের লোক। তাঁদের নাম এই পার্টে কী করে এল, তা বোঝা যাচ্ছে না। একারণে আমরা বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেব। ২৬ নম্বর বুথের অনেক বাসিন্দা বলেন, ভোটার তালিকায় যে সব নাম উঠেছে, তাঁদের কারও অস্তিত্বই নেই এখানে। আমরাও চাই, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি হোক। পঞ্চায়েত প্রধান অসিতবরণ মণ্ডল বলেন, ২২টি সংসদের ভোটার তালিকা ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ক্রুটিনি করে সদস্যরা পঞ্চায়েতে জমা দেবেন। তারপর তা দেওয়া হবে ব্লক অফিসে।



