Bartaman Logo
৩০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাবড়া বাণীপুর মহিলা কলেজের দখল হওয়া ঘরের চাবি ফেরালেন বিধায়ক

হাবড়ার বাণীপুর মহিলা কলেজের ঘর দখল করে রেখেছিল বহিরাগতরা। নিয়মিত সেখানে বসত নেশার আসর।

হাবড়া বাণীপুর মহিলা কলেজের দখল হওয়া ঘরের চাবি ফেরালেন বিধায়ক
  • ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: হাবড়ার বাণীপুর মহিলা কলেজের ঘর দখল করে রেখেছিল বহিরাগতরা। নিয়মিত সেখানে বসত নেশার আসর। ছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এনিয়ে সরব হয়েছিলেন কলেজ অধ্যক্ষা। বৃহস্পতিবার কলেজ পরিদর্শনে আসেন এলাকার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দখল হয়ে যাওয়া ওই ঘরের চাবি তিনি অধ্যক্ষার হাতে তুলে দেন। অবিলম্বে কলেজের জমি মাপজোক করে দ্রুত সীমানা প্রাচীর দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। 

Advertisement

নিরাপত্তা শিকেয় তুলে হাবড়া পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীপুর মহিলা কলেজের ঘর দখল ও সেখানে নিয়মিত মদের আসর বসানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছিল। ‘বর্তমান’-এ এই খবর প্রকাশের পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। শোরগোল পড়ে প্রশাসনিক মহলে। জেলার শিক্ষাদপ্তর সেদিনই কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছিল। বহিরাগতদের রুখতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই ঘরে পৃথক তালা লাগিয়েছিল। সেই তালা ভেঙে বহিরাগতরা ফের নিজেদের তালা লাগিয়েছিল বলে অভিযোগ। এছাড়াও সীমানা প্রাচীর না থাকায় কলেজের জমি দখল ও কলেজের মাঠে নেশার আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছিল। মঙ্গলবার কলেজে গিয়েছিলেন হাবড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ও হাবড়া থানার পুলিশ। এদিন ওই কলেজ পরিদর্শন করেন জ্যোতিপ্রিয়বাবু। তিনি অধ্যক্ষার সঙ্গেও কথা বলেন। পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কলেজের একটি ঘর নিয়ে সমস্যা ছিল। কয়েক বছর ধরে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি সেই ঘরটি ব্যবহার করত। তাঁদের আসবাবপত্র সেখানে ছিল। সেই চাবি কলেজ কর্তৃপক্ষকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসবাবপত্র শুক্রবার বের করে দেওয়া হবে। কলেজের পিছনের জমিটি শিক্ষাদপ্তরের। তারমধ্যে কতটা কলেজের, তা এখনও চিহ্নিত হয়নি। ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক আগামী তিন-চারদিনের মধ্যে সেই কাজ করবেন। জমি চিহ্নিত হওয়ার পর কলেজের সীমানা প্রাচীর তৈরির কাজ শুরু হবে। এদিন বিধায়ক কলেজের দখল হওয়া ঘরের চাবি ফিরিয়ে দেওয়ায় খুশি অধ্যক্ষা বিদিশা ঘোষদস্তিদার। তিনি বলেন, বিধায়ককে ধন্যবাদ। তিনি বেদখল হওয়া ঘর ফিরিয়ে দিয়েছেন। ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কিয়স্ক করে দেবেন বলেছেন। এরজন্য আমি দ্রুত লিখিতভাবে আবেদন করব। বিএলআরও অফিস থেকে মাপজোক করে কলেজের জমি চিহ্নিত করে দেওয়ার পর পাঁচিল তৈরির কাজ শুরুর কথা বলেছেন তিনি। অধ্যক্ষা বলেন, আমি বিধায়কের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থের আবেদন জানিয়েছি। উনি বলেছেন, পাঁচিল না হলেও কাঁটাতারের ব্যবস্থা করে দেবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ