Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাটে জনতার দরবারে মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন বিধায়ক

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মতো এবার জনতার দরবার করে মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা।

রামপুরহাটে জনতার দরবারে মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন বিধায়ক
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মতো এবার জনতার দরবার করে মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। দু’দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনতার দরবার কর্মসূচির কথা জানিয়েছিলেন তিনি। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ এবং নতুন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে নানা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শনিবার প্রথমদিনের ভিড় তা জানান দিল। 

Advertisement

এদিন রামপুরহাটের দলীয় কার্যালয়ে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক ধ্রুববাবু ব্যক্তিগত উদ্যোগে জনতার দরবার আয়োজন করেন। মূল লক্ষ্য, সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের জমে থাকা অভাব, অভিযোগ ও ক্ষোভের কথা সরাসরি শোনা এবং তা সমাধানের চেষ্টা করা। এদিন রামপুরহাট শহর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ বিধায়কের কাছে আসে। ভিড় সামলাতে দলীয় কর্মীদের হিমশিম খেতে হয়। 
দরবারে আসা সাধারণ মানুষজন মূলত বিগত সরকারের আমলের বঞ্চনা ও দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন। বিজেপি করার অপরাধে পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাটের মতো মৌলিক সরকারি সুবিধা থেকে অনেককে বঞ্চিত করা হয়েছিল অভিযোগ জানান। এমনকি, বাড়িতে ঢোকার সিঁড়ি তৈরির কাজেও বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অনেকে অভিযোগ জানান। এছাড়া কেউ কেউ অভিযোগ জানান, তাঁদের অজান্তেই জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। বিএলআরও অফিসে বারবার জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি। বিধায়ক এই অফিস ‘ঘুঘুর বাসা’য় পরিণত হয়েছিল বলে কটাক্ষ করেন। অনেকে পরিকাঠামো ও নাগরিক সমস্যা তুলে ধরেন। 
অভিযোগ, পানীয় জলের পাইপ বসানোর জন্য রাস্তা খুঁড়ে দু’মাস ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। যার ফলে যাতায়াতে চরম সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা, তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিগত সরকারের আমলে থানায় কোনো অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে অনেকে জানান। রামপুরহাটের গান্ধী পার্কের কর্মীরা কাজ হারানোর আশঙ্কায় আবেদন জানান। বিধায়ক তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, কারও কাজ যাবে না। এদিন প্রায় সাড়ে তিনশো মানুষের অভাব অভিযোগ শোনেন বিধায়ক। মাসে দু’দিন তিনি এভাবেই জনতার দরবার করবেন বলে জানিয়েছেন।
বিধায়ক ধ্রুব সাহা বলেন, বিগত ১৫বছরের শাসনে মানুষ কেবল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, ন্যায়বিচার পাননি। বিজেপি করার অপরাধে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল বহু মানুষকে। সাধারণ অনেক আশা নিয়ে এসেছেন, তাঁদের সমস্যার সমাধানে সবরকম চেষ্টা করব।

সম্পর্কিত সংবাদ