নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে বিধায়ক তহবিলের টাকার কাজ হচ্ছে না ভাঙড় পঞ্চায়েত সমতি ১ ও ২ এলাকায়। ওই এলাকায় তিনি উন্নয়নের কাজের উদ্যোগ নিলেও তা এগচ্ছে না। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ হচ্ছে না তৃণমূল স্তরে। ফলে কাজ না-হওয়ার দায় বিধায়ক হিসেবে তাঁকেই নিতে হবে। এলাকার মানুষ বলবে তিনিই কাজ করাতে পারেননি। তাঁর এলাকায় উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ দ্রুত রূপায়ণে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চান। এই ব্যাপারে সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভাঙড়ের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি। রাজনৈতিক সৌজন্যের নয়া নজির সৃষ্টি করে ভিন্ন দলের বিধায়ককে এক্ষেত্রে ‘গাইডলাইন’ মেনেই কাজ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিন বিধানসভায় উল্লেখ পর্বেও এ বিষয়টি নিয়ে সরব হন নৌশাদ। তারপরে এক বিধায়কের সাহায্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ সুনিশ্চিত হয়। বিকেলে নবান্নে প্রায় ১০ মিনিট ধরে আইএসএফ চেয়ারম্যানের কথা শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীকে কী জানিয়েছেন নৌশাদ? বৈঠকের পর ভাঙড়ের বিধায়ক জানান, আমার এলাকার জন্য এলাকাবাসীর প্রয়োজন এবং কাজের কথা বলা হয়েছিল জেলা পরিকল্পনা অফিসারকে (ডিপিও)। তাঁর এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকের (উন্নয়ন) উচিত ছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজগুলি করা। কিন্তু তা হয়নি। আমি উপযুক্ত সমস্ত জায়গাতেও জানিয়েছিলাম। সুরাহা মেলেনি তাতেও। তাই শেষমেশ সর্বোচ্চ জায়গায় এসে বিষয়টি তুলে ধরলাম। নির্দিষ্ট ‘গাইডলাইন’ মেনেই যাবতীয় কাজ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আমাকে কথা দিয়েছেন।
তবে এই সাক্ষাতের পর তাঁর কি তৃণমূলে আসার কোনও পরিকল্পনা আছে? এই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্তি প্রকাশসহ তেমন সম্ভাবনা উড়িয়েই দিয়েছেন নৌশাদ।