নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বনাঞ্চল পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রবেশমূল্য নেওয়া যাবে না বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই নির্দেশের তোয়াক্কা না করেই প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে পর্যটকদের ভিতরে ঢোকার ছাড়পত্র দিচ্ছে টাকি পুরসভা। ফলে মিনি সুন্দরবনে বেড়াতে এসে অসন্তুষ্ট পর্যটকরা। ফলে, এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুরসভা অবশ্য জানিয়েছে, এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
হাসনাবাদ-শিয়ালদহ শাখায় টাকি রোড স্টেশন। সেখান থেকে মেরেকেটে তিন কিলোমিটার দূরে ইছামতীর চরে অবস্থিত মিনি সুন্দরবন। লোকমুখে এটি ‘গোলপাতার জঙ্গল’ নামে খ্যাত। দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৩০ বিঘা। বনাঞ্চলে আছে সুন্দরী, গরান, গোলপাতা, হেতাল, খেজুর সহ বিভিন্ন গাছ। এখানে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হল পাখির ডাক। ইছামতীর কংক্রিটের পাড় ধরে কিছুটা এগিয়ে গেলেই কানে আসবে পাখির কলরব। নিরিবিলি পরিবেশ। শীতে গমগম করে টাকির মিনি সুন্দরবন। এখানে বাড়তি পাওনা পরিযায়ী পাখি। শুধু বাংলা বলে নয়, ভিন রাজ্যের পর্যটকদেরও ভ্রমণের অন্যতম ডেস্টিনেশন মিনি সুন্দরবন। এর দায়িত্বে টাকি পুরসভা। প্রতিদিন শ’য়ে শ’য়ে পর্যটক আসেন এখানে। সরকারিভাবে এই মিনি সুন্দরবনকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে এটি। বিএসএফের ঘেরাটোপ পেরিয়ে এখানে প্রবেশ করতে হয়।
এই পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশমূল্য নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। মাসখানেক আগে উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বনাঞ্চলে প্রবেশমূল্য না নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, টাকি পুরসভা আগের মতোই প্রবেশমূল্য নিচ্ছে। পর্যটকরা টিকিট কাটলে তবেই ভিতরে ঢোকার ছাড়পত্র পাচ্ছেন। কয়েকজন তো এ নিয়ে সরাসরি কর্মীদের প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু কেউই তার সদুত্তর দিতে পারছেন না। পর্যটন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এক সংস্থার কর্মী বলেন, আমাদের যা নির্দেশ রয়েছে, তাই করছি। অনেক ট্যুরিস্ট এ নিয়ে প্রশ্ন করছেন বটে। তবে আমাদের কাছে পুসভা এখনও কোনও নির্দেশ পাঠায়নি।
গড়ে প্রতিদিন শ’ পাঁচেক পর্যটক আসেন এখানে। কলকাতার সায়েন্স সিটির বাসিন্দা সুশ্রী ভট্টাচার্য ও রেবতী দাঁ বলেন, প্রবেশমূল্য মাত্র ১০ টাকা। এটা খুবই কম। তবে মুখ্যমন্ত্রী যখন প্রবেশমূল্য ফ্রি করে দিয়েছেন, তখন তাঁর নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া উচিত। মিনি সুন্দরবনের পরিস্থিতি আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এনিয়ে টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো কাজ করব। পর্যটন কেন্দ্রটি একটি সংস্থাকে লিজে দেওয়া আছে। মার্চ মাস থেকে প্রবেশমূল্য তুলে দেওয়া হবে।
এই পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশমূল্য নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। মাসখানেক আগে উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বনাঞ্চলে প্রবেশমূল্য না নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, টাকি পুরসভা আগের মতোই প্রবেশমূল্য নিচ্ছে। পর্যটকরা টিকিট কাটলে তবেই ভিতরে ঢোকার ছাড়পত্র পাচ্ছেন। কয়েকজন তো এ নিয়ে সরাসরি কর্মীদের প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু কেউই তার সদুত্তর দিতে পারছেন না। পর্যটন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এক সংস্থার কর্মী বলেন, আমাদের যা নির্দেশ রয়েছে, তাই করছি। অনেক ট্যুরিস্ট এ নিয়ে প্রশ্ন করছেন বটে। তবে আমাদের কাছে পুসভা এখনও কোনও নির্দেশ পাঠায়নি।
গড়ে প্রতিদিন শ’ পাঁচেক পর্যটক আসেন এখানে। কলকাতার সায়েন্স সিটির বাসিন্দা সুশ্রী ভট্টাচার্য ও রেবতী দাঁ বলেন, প্রবেশমূল্য মাত্র ১০ টাকা। এটা খুবই কম। তবে মুখ্যমন্ত্রী যখন প্রবেশমূল্য ফ্রি করে দিয়েছেন, তখন তাঁর নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া উচিত। মিনি সুন্দরবনের পরিস্থিতি আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এনিয়ে টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো কাজ করব। পর্যটন কেন্দ্রটি একটি সংস্থাকে লিজে দেওয়া আছে। মার্চ মাস থেকে প্রবেশমূল্য তুলে দেওয়া হবে।



