নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুরুষদের যতরকম ক্যন্সার হয়, তার মধ্যে মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি। মহিলাদের ক্ষেত্রে তিন নম্বরে রয়েছে এই রোগ। এমনই উল্কার গতিতে বাড়ছে মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সার। চিকিৎসকরা যাকে বলেন ‘হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার’ (ঠোঁট, জিভ, মাড়ি, গলা, স্বরযন্ত্র, সাইনাস, থাইরয়েড সহ কয়েকটি অঙ্গের ক্যান্সার)। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার এই প্রথম পিজি হাসপাতালে চালু করল হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সার্জারি বিভাগ। নাক, কান, গলার উৎকর্ষকেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব অটো ল্যারিঙ্গোলজি থেকে পৃথক করে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হল এই সুপারস্পেশালিটি বিভাগ। ইনস্টিটিউট বাড়ির পাঁচতলায় এজন্য তৈরি হয়েছে আলাদা হাইটেক অপারেশন থিয়েটারও।
Advertisement
বুধবার দুপুরে ছিল বিভাগটির উদ্বোধন। দেখা গেল, ঝাঁ-চকচকে বিভাগটির আধুনিক সুযোগসুবিধা হার মানাবে যে কোনও প্রথম সারির কর্পোরেট হাসপাতালকেও। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে প্রথম বিশ্ব বহুদিন ধরেই ঝুঁকেছে মডিউলার অপারেশন থিয়েটারের দিকে। সেই জায়গায় রাজ্যের এক নম্বর সরকারি হাসপাতাল পিজি এই ধরনের অপারেশন থিয়েটার তৈরি কার্যত জলভাত করে ফেলেছে।
বিভাগীয় অধ্যাপক ডাঃ অরুণাভ সেনগুপ্ত বলেন, ‘ভারতে যে কোনও সার্জারি সংক্রান্ত বিভাগে পঠনপাঠনের শেষ কথাই হল এমসিএইচ পাঠ্যক্রম। পিজির এই বিভাগ চার আসনে এমসিএইচ পড়ানোর অনুমোদন পেয়েছে। রাজ্য ৩ কোটি টাকায় সাজিয়েছে নয়া বিভাগটি। আরও কিছু যন্ত্রপাতি ও লোকবলের অপেক্ষায় আছি। আশা করি, মার্চ থেকে অপারেশন শুরু করে দিতে পারব।’
বিভাগ সূত্রে খবর, এর মধ্যে শুধু সেমি মডিউলার অপারেশন থিয়েটারটির জন্যই ব্যয় করা হয়েছে কোটি টাকার বেশি। সম্পূর্ণ সংক্রমণমুক্ত পরিবেশ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওটির এয়ারটাইট হাইটেক দরজাটির (হারমেটিক্যাল শিল্ড ডোর) দামই ৪ লক্ষ! জলের কলে হাত দিলে তা থেকেও যাতে কোনওভাবে সংক্রমণ না ছড়ায়, সেজন্য বসানো হয়েছে আধুনিক ‘টাচলেস’ ব্যবস্থা। একটু দূরে হাত রাখলেই খুলে যাবে কল। সেই সঙ্গে রয়েছে ডিজিটাল স্ক্রিন। কতক্ষণ জল পড়বে, দেখা যাচ্ছে সেখানে।
বিশিষ্ট হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সার্জেন ডাঃ সৌরভ দত্ত বলেন, ‘মুম্বইয়ের টিএমএইচ, এইমস দিল্লি, এইমস হৃষিকেশ সহ হাতেগোনা কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সারের পৃথক বিভাগ আছে। এইবার সেই তালিকায় বাংলাও যুক্ত হল। আমরা গর্বিত।’ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, সারা দেশে বর্তমানে মাত্র ১৭টি সুপারস্পেশালিটি হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সার্জারির আসন রয়েছে। ২০টি বেড থাকছে এখানে। পুরুষদের এই ক্যান্সার বেশি হয় বলে ১৫ টি মেল বেড থাকছে। ফিমেল বেড থাকবে পাঁচটি।
বিভাগীয় অধ্যাপক ডাঃ অরুণাভ সেনগুপ্ত বলেন, ‘ভারতে যে কোনও সার্জারি সংক্রান্ত বিভাগে পঠনপাঠনের শেষ কথাই হল এমসিএইচ পাঠ্যক্রম। পিজির এই বিভাগ চার আসনে এমসিএইচ পড়ানোর অনুমোদন পেয়েছে। রাজ্য ৩ কোটি টাকায় সাজিয়েছে নয়া বিভাগটি। আরও কিছু যন্ত্রপাতি ও লোকবলের অপেক্ষায় আছি। আশা করি, মার্চ থেকে অপারেশন শুরু করে দিতে পারব।’
বিভাগ সূত্রে খবর, এর মধ্যে শুধু সেমি মডিউলার অপারেশন থিয়েটারটির জন্যই ব্যয় করা হয়েছে কোটি টাকার বেশি। সম্পূর্ণ সংক্রমণমুক্ত পরিবেশ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওটির এয়ারটাইট হাইটেক দরজাটির (হারমেটিক্যাল শিল্ড ডোর) দামই ৪ লক্ষ! জলের কলে হাত দিলে তা থেকেও যাতে কোনওভাবে সংক্রমণ না ছড়ায়, সেজন্য বসানো হয়েছে আধুনিক ‘টাচলেস’ ব্যবস্থা। একটু দূরে হাত রাখলেই খুলে যাবে কল। সেই সঙ্গে রয়েছে ডিজিটাল স্ক্রিন। কতক্ষণ জল পড়বে, দেখা যাচ্ছে সেখানে।
বিশিষ্ট হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সার্জেন ডাঃ সৌরভ দত্ত বলেন, ‘মুম্বইয়ের টিএমএইচ, এইমস দিল্লি, এইমস হৃষিকেশ সহ হাতেগোনা কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সারের পৃথক বিভাগ আছে। এইবার সেই তালিকায় বাংলাও যুক্ত হল। আমরা গর্বিত।’ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, সারা দেশে বর্তমানে মাত্র ১৭টি সুপারস্পেশালিটি হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সার্জারির আসন রয়েছে। ২০টি বেড থাকছে এখানে। পুরুষদের এই ক্যান্সার বেশি হয় বলে ১৫ টি মেল বেড থাকছে। ফিমেল বেড থাকবে পাঁচটি।



