সংবাদদাতা, কান্দি: মুর্শিদাবাদের বড়ঞা ব্লকের বধূয়া গ্রামের জন্মান্ধ কিশোর আব্দুর রহমান একটিবার তার মাকে দেখতে চায়। তার জন্য সে টাকা জমাচ্ছে। আব্দুর জন্মান্ধ। তার বাবা হান্নান শেখ দিনমজুর। সম্বল বলতে একটি মাত্র খড়ের চালার মাটির বাড়ি। স্ত্রী ও তিনটি সন্তান নিয়ে হান্নানের সংসার। ফলে ছেলের চোখের ভালো চিকিৎসা করানো তাঁর পক্ষে সাধ্যাতিত। তাই আব্দুরের স্বপ্ন, টাকা জমিয়ে চোখের চিকিৎসা করানো। না হলে মাকে দেখবে কীভাবে!
Advertisement
বছর পনেরোর ওই কিশোর গ্রামের স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। নিজের হাতে লিখতে পারে না বলে প্রত্যেক পরীক্ষায় একজন করে সহযোগী নেয়। তবে স্কুলের পড়াশোনার বাইরেও তার জানার আগ্রহ অসীম। কিন্তু সাধ্য সামান্যই। তাই প্রতিবেশীরা তাকে একটি মোবাইল কিনে দিয়েছেন। সেই মোবাইল থেকেই সে জ্ঞানের ক্ষুধা মেটায়। তবে তার অনুসন্ধিৎসা মূলত ধর্মভিত্তিক। সে ধর্মজ্ঞান আহরণ করতে মোবাইলের সাহায্য নেয়। এখন সে ধর্মীয় শিক্ষা নিয়েই নিজের ভবিষ্যত গড়তে চায়।
রাজ্য সরকারের প্রতিবন্ধী ভাতা প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে মেলে। আব্দুর জানায়, আমরা খুব গরিব। প্রতিবেশীরা একটি মোবাইল কিনে দিয়েছিলেন। সেটি থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করছি। এই শিক্ষার উপর ভর করেই আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইছি। বিভিন্ন ধর্মীয় সভায় ডাক পেতে শুরু করেছি। একটি বারের জন্য যদি আমার মাকে দেখতে পেতাম তাহলে সব ক্ষতি মুখ বুজে মেনে নিতাম। এই সবুজ পৃথিবীর রং বেরংয়ের গল্প শুনেই কাটিয়ে দিতাম সারা জীবন। এর জন্য অল্প অল্প করে টাকা সংগ্রহ করছি। কোনও সাহায্য না পেলে একদিন নিজের জমানো টাকাতেই চিকিৎসা করে দৃষ্টিশক্তি পাব আশা রাখি।
কিশোরের মা শরিফা বিবি বলেন, আমরা সাধ্যমতো অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েছি। ডাক্তাররা বলেছেন, দৃষ্টি ফেরানো সম্ভব নয়। আমাদের আর্থিক অবস্থাও ভালো নয় যে, ছেলের ভালো জায়গায় চিকিৎসা করব। তাই ইশ্বরের ভরসায় দিন কাটাচ্ছি। পরিবারের কর্তা হান্নান শেখ বলেন, আমিই একমাত্র রোজগেরে। এই রোজগারে থাকা-খাওয়ার খরচ জোগাড় করতেই হিমশিম খেয়ে যাই। তাই ছেলের ভালো চিকিৎসা আমাদের কাছে স্বপ্ন।
রাজ্য সরকারের প্রতিবন্ধী ভাতা প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে মেলে। আব্দুর জানায়, আমরা খুব গরিব। প্রতিবেশীরা একটি মোবাইল কিনে দিয়েছিলেন। সেটি থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করছি। এই শিক্ষার উপর ভর করেই আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইছি। বিভিন্ন ধর্মীয় সভায় ডাক পেতে শুরু করেছি। একটি বারের জন্য যদি আমার মাকে দেখতে পেতাম তাহলে সব ক্ষতি মুখ বুজে মেনে নিতাম। এই সবুজ পৃথিবীর রং বেরংয়ের গল্প শুনেই কাটিয়ে দিতাম সারা জীবন। এর জন্য অল্প অল্প করে টাকা সংগ্রহ করছি। কোনও সাহায্য না পেলে একদিন নিজের জমানো টাকাতেই চিকিৎসা করে দৃষ্টিশক্তি পাব আশা রাখি।
কিশোরের মা শরিফা বিবি বলেন, আমরা সাধ্যমতো অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েছি। ডাক্তাররা বলেছেন, দৃষ্টি ফেরানো সম্ভব নয়। আমাদের আর্থিক অবস্থাও ভালো নয় যে, ছেলের ভালো জায়গায় চিকিৎসা করব। তাই ইশ্বরের ভরসায় দিন কাটাচ্ছি। পরিবারের কর্তা হান্নান শেখ বলেন, আমিই একমাত্র রোজগেরে। এই রোজগারে থাকা-খাওয়ার খরচ জোগাড় করতেই হিমশিম খেয়ে যাই। তাই ছেলের ভালো চিকিৎসা আমাদের কাছে স্বপ্ন।



