Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভর সন্ধ্যায় শহরের রাস্তায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব, গুলিবিদ্ধ ১

দেদার বোমাবাজি। সঙ্গে চলল গুলি। দুষ্কৃতী তাণ্ডবে রক্তে ভিজল শহরের রাজপথ। রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার কাঁকুলিয়া রোডের পঞ্চাননতলা বস্তিতে ।

ভর সন্ধ্যায় শহরের রাস্তায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব, গুলিবিদ্ধ ১
  • ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেদার বোমাবাজি। সঙ্গে চলল গুলি। দুষ্কৃতী তাণ্ডবে রক্তে ভিজল শহরের রাজপথ। রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার কাঁকুলিয়া রোডের পঞ্চাননতলা বস্তিতে । বোমা-গুলির পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র নিয়েও হামলা চলে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তি। অপর একজনের শরীরে চপারের কোপ পড়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তখনই নিরাপত্তার দাবিতে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত এলাকাবাসী। একটি পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরও করা হয়। এদিন রাত পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, রবিবার কাঁকুলিয়া রোডের পঞ্চাননতলা এলাকার বাসিন্দারা রুবি হাসপাতাল লাগোয়া এলাকায় পিকনিক করতে গিয়েছিলেন। সেখানে দিনভর খানাপিনা চলে। অভিযোগ, ফেরার সময় বাপির গোষ্ঠীর সদস্যরা কসবা এলাকায় তাণ্ডব চালায়। সেখানে দোকান ভাঙচুর করার পাশাপাশি বাবুর গোষ্ঠীর কয়েকজনকে মারধরও করে বলে অভিযোগ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বাবুর দলবল। অভিযোগ, রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তারা পালটা জবাব দিতে সশস্ত্র অবস্থায় কাঁকুলিয়া রোডে পৌঁছায়। শুরু হয় বোমাবাজি। রাস্তায় থাকা লোকজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। সঙ্গে চলে গুলি। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে জখম হন গণেশ নামে এক ব্যক্তি। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। গণেশকে এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে। সনৎ সিং নামে অপর এক ব্যক্তিকে মাথায় চপারের কোপ মারা হয়। তাঁর আঘাতও গুরুতর। আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাণ্ডব চলে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। একটি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁদের সামনেও ক্ষোভ উগরে দেন এলাকাবাসী।

পঞ্চাননতলার বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর দলবল আচমকাই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে রবীন্দ্র সরোবর থানার দূরত্ব খুব বেশি নয়। অথচ, পুলিশ দুষ্কৃতীদের যাওয়ার পর এলাকায় আসে। যদিও হামলার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে সোনা পাপ্পু। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের কোনো যোগ নেই। ঘটনাস্থলে এসে তৃণমূল কাউন্সিলার বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, পিকনিক থেকেই এই ঝামেলার সূত্রপাত। নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ