Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সিঁথিতে পরিত্যক্ত বাড়িতে ধর্ষণ নাবালিকাকে, ফেরার অভিযুক্ত

সিঁথিতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত বান্টি ফেরার। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্তারিত জানুন।

সিঁথিতে পরিত্যক্ত বাড়িতে ধর্ষণ নাবালিকাকে, ফেরার অভিযুক্ত
  • ১৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, ঘটনা নিয়ে পুলিশে অভিযোগ করলে ফের ধর্ষণ করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সিঁথি থানা এলাকার রায়পাড়ার ঘটনা। ইতিমধ্যে সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নাবালিকা। তার বয়ানের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নাবালিকার মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে। লালবাজার জানিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম বান্টি। দমদমের বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দা। আপাতত সে ফেরার। এই খবর লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। 

Advertisement

মঙ্গলবার রাতে সিঁথি থানায় গিয়ে হাজির হয় ১৪ বছরের নাবালিকা। একটি বেসরকারি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সে। সিঁথির রায়পাড়া অঞ্চলে একটি কোচিং সেন্টারে নিয়মিত পড়তে যায় ওই ছাত্রী। সেখানেই একটি মাঠে খেলতেও যায়। সেই সূত্রেই বান্টি নামে যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় গড়ে ওঠে। তার অভিযোগ, বন্ধুত্ব পাতানোর সুযোগ নিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেয় বান্টি। সেই প্রস্তাবে সম্মতি দিতে চায়নি অভিযোগকারিণী। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই বজায় রাখতে চেয়েছিল নাবালিকা। তাতে খুব একটা আপত্তি করেনি অভিযুক্ত। এরপর কিশোরীর সঙ্গে গল্প করার টোপ দিয়ে তাকে রায়পাড়ারই একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। নাবালিকার দাবি, সেখানে সে ঢুকতে রাজি হয়নি। বলপূর্বক তাকে ভিতরে নিয়ে যায় বান্টি। সেখানেই সে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ১১ জুন ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার কথা কাউকে জানালে তাকে ফের ধর্ষণ করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। প্রথমে ভয়ে ঘটনার কথা কাউকে জানায়নি নাবালিকা। তার দাবি, ঘটনার পর থেকে বারবার রাস্তায় তাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। আবারও সেই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেছিল। তাই বাবা, মা-কে বিষয়টি জানায় ওই স্কুলপড়ুয়া। 
পুলিশ সূত্রে খবর, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী ধর্ষণসহ পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে নাবালিকার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা চলছে। সেই সঙ্গে নাবালিকার মেডিকোলিগ্যাল পরীক্ষার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হতে পারে। নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়ার জন্যও আদালতের দ্বারস্থ হবে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ