নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নাবালিকাকে মারধরের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী যুবক বিদ্যুৎ দাস ও তার দিদি মেঘা দাসের বিরুদ্ধে। বাড়িতেই গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হয় নাবালিকার দেহ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই দেহ আটকে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মেঘা দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটিতে।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক বিদ্যুৎ দাসের বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বছর খানেক ধরে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে দূরত্ব তৈরি হয়। যুবক ও তার দিদি মেঘা মেয়েটির বাড়িতে গিয়েছিল।
নাবালিকার মা’র অভিযোগ, মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল বিদ্যুৎ। নানাভাবে উত্যক্ত করত। মেয়ে রাজি না হওয়ায় একা ঘরে পেয়ে মারধর করে দুই ভাই বোন। এর পরে নাবালিকা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়। ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার ইন্দিরানগর এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিদ্যুতের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ পালিয়ে যায়। তবে তার দিদিকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ পুলিস। এমনকী মা-বাবা পালিয়ে গিয়েছে।
সন্ধ্যায় নাবালিকার দেহ ময়নাতদন্ত করে নিয়ে ইন্দিরানগরের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযুক্তের বাড়ির সামনেও এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখান। খড়দহ থানার পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিস জানিয়েছে, দু’জনের বছর খানেক ধরে সম্পর্ক ছিল।
শুক্রবার মেয়েটিকে বোঝাতে গিয়েছিল দু’জন। তখন মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মেয়েটি আত্মঘাতী হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। অন্যজনের খোঁজ চলছে।