Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬

দুই পাকিস্তানি মহিলার নাম বিহারে ভোটার তালিকায়! সরানোর নির্দেশ দিল মন্ত্রক

বিহারে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনে (এসআইআর) ৬৫ লক্ষ নাম বাদ পড়া নিয়ে সরব গোটা দেশ। তালিকায় গরমিল নিয়েও নানা অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। এর মধ্যেই তালিকায় থাকা দুই পাকিস্তানির নাম সামনে এল।

দুই পাকিস্তানি মহিলার নাম বিহারে ভোটার তালিকায়! সরানোর নির্দেশ দিল মন্ত্রক
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: বিহারে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনে (এসআইআর) ৬৫ লক্ষ নাম বাদ পড়া নিয়ে সরব গোটা দেশ। তালিকায় গরমিল নিয়েও নানা অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। এর মধ্যেই তালিকায় থাকা দুই পাকিস্তানির নাম সামনে এল। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান থেকে ভারতে আসেন দুই মহিলা। তাঁরা এখন ভাগলপুরের বাসিন্দা। থাকেন ট্যাঙ্ক লেনে। ইমরানা খান্নম ওরফে ইমরানা খাতুন এবং ফিরদৌসিয়া খান্নমের ভোটার পরিচয়পত্র সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, অনেক নাগরিকের নাম যখন তালিকা থেকে বাদ গেল, তখন বিশদে যাচাইয়ের পরও কীভাবে দুই পাকিস্তানির নাম তালিকায় রয়ে গেল! চাপে পড়ে ভাগলপুরের জেলাশাসক এবং পুলিস সুপারকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পাশাপাশি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভাগলপুরের জেলাশাসক নাবাল কিশোর চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তালিকা থেকে দু’টি নাম বাদ দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।’ 

Advertisement

সূত্রের খবর, স্থানীয় বাসিন্দা ইবতুল হাসানের স্ত্রী ইমরানা খান্নম ওরফে ইমরানা খাতুন। আর মহম্মদ তাফজিল আহমেদের স্ত্রী ফিরদৌসিয়া খান্নম। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রংপুর থেকে ১৯৫৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তিন মাসের ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন ফিরদৌসিয়া। তবে ইমরানার ভিসার মেয়াদ ছিল তিন বছর। গত কয়েক মাস ধরে ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও ভারতে থেকে যাওয়া বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেখানেই ইমারানা এবং ফিরদৌসিয়ার নাম সামনে আসে। এনিয়ে ইমারানার নথি চেক করা বিএলআরও  বলেন, ‘এসআইআরের সময় আমি নথি যাচাই করেছলাম। বয়স ও অুসস্থতার কারণে মহিলা কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠি পেয়ে আবার নথি যাচাই করে দেখি, তিনি ১৯৫৬ সালে ভারতে আসেন। তালিকা থেকে তাঁর নাম সরানোর জন্য ১১ আগস্ট নোটিশ পেয়েছি।’ ফিরদৌসিয়ার ছেলে মহম্মদ গুলরেজ বলেন, ‘কেউ এখনও তদন্তের জন্য আসেনি। বিএলও এসে সব নথি নিয়ে গিয়েছিলেন। ১১টি নথির মধ্যে আমাদের যা রয়েছে, তা দিয়েছি। আমরা প্রত্যেকবার ভোট দিই।’

সম্পর্কিত সংবাদ