Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ত্রাণ নিয়ে ক্রান্তির বিধ্বস্ত গ্রামে মন্ত্রী বুলুচিক, এখনও বাঁধে অনেক পরিবার

শনিবার ত্রাণ নিয়ে ক্রান্তির বিধ্বস্ত পশ্চিম সাঙ্গোপাড়া গ্রামে আসেন রাজ্যের আদিবাসী ও অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী বুলুচিক বরাইক

ত্রাণ নিয়ে ক্রান্তির বিধ্বস্ত গ্রামে মন্ত্রী বুলুচিক, এখনও বাঁধে অনেক পরিবার
  • ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শনিবার ত্রাণ নিয়ে ক্রান্তির বিধ্বস্ত পশ্চিম সাঙ্গোপাড়া গ্রামে আসেন রাজ্যের আদিবাসী ও অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী বুলুচিক বরাইক। চাঁপাডাঙা পঞ্চায়েতের পশ্চিম সাঙ্গোপাড়ায় বাঁধ ভেঙে তিস্তার জল ঢুকে ৩২৫টি পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জল নেমে যাওয়ায় দুর্গতরা ভাঙাচোরা ঘর কোনওমতে সারিয়ে সেখানেই মাথাগোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছেন। কিন্তু জলের তোড়ে রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় তাঁদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। বিপর্যয়ের পরই ওই এলাকায় দুর্গতদের উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রশাসন। বিপর্যস্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার পাশাপাশি পৌঁছে দেওয়া হয় ত্রাণ। এদিন মন্ত্রী ওই এলাকায় রান্নার হাঁড়ি-কড়াই, বাসনপত্র সহ ফোমের বেড, বিছানার চাদর সহ আরও নানা সামগ্রী নিয়ে যান। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও বাঁধ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি।

Advertisement

প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ক্রান্তি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পঞ্চানন রায়। তিনি বলেন, আমার ব্লকে উত্তর ও দক্ষিণ বাসুসুবা, মাস্টারপাড়া, পশ্চিম সাঙ্গোপাড়া, চ্যাংমারি সহ বিভিন্ন এলাকা মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তাঁদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জমির ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব চলছে। তিনি জানান, বাসুসুবায় এখনও ২৭০টি পরিবার এবং চ্যাংমারিতে ৮০টি পরিবার বাঁধের উপর রয়েছে। এদিন মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুর্গতরা দ্রুত রাস্তা ও বাঁধ মেরামতির দাবি জানিয়েছেন। যাঁরা বাঁধের উপর রয়েছেন, তাঁরা যাতে দ্রুত বাড়ি ফিরতে পারেন, তার ব্যবস্থা করার জন্য মন্ত্রীর কাছে আর্জি রাখা হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ