Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বনগাঁয় পরিষেবা নিয়ে সরব মন্ত্রী অশোক, দিলেন পুর-দুর্নীতির তদন্তের প্রতিশ্রুতিও

৪ মে’র পর থেকে বনগাঁ পুরসভা এলাকায় নাগরিক পরিষেবা কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। তাই পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে বুধবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।

বনগাঁয় পরিষেবা নিয়ে সরব মন্ত্রী অশোক, দিলেন পুর-দুর্নীতির তদন্তের প্রতিশ্রুতিও
  • ২৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: ৪ মে’র পর থেকে বনগাঁ পুরসভা এলাকায় নাগরিক পরিষেবা কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। তাই পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে বুধবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। এদিন বনগাঁ মহকুমা শাসকের দপ্তরে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য সহ প্রশাসনিক কর্তারা। ছিলেন পুর আধিকারিকরাও। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘পুরসভার অনেক কাউন্সিলার পালিয়ে গিয়েছেন। যাঁরা আছেন, তাঁদের বেশিরভাগই নিষ্ক্রিয়। ফলে মানুষ পুর-পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি আধিকারিকদের বলেছি, পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। প্রয়োজনে পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

এদিন পুরসভায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও সরব হন মন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতিটাই পুরসভার নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শহরে একাধিক বেআইনি নির্মাণ হয়েছে। বেআইনিভাবে জলাশয় ভরাট করে হয়েছে নির্মাণ। বনগাঁ থানার সামনে বিশাল পুকুর ভরাট করে হোটেল নির্মাণ হয়েছে তৃণমূলের আমলে। মন্ত্রীর আশ্বাস, ‘আগামী দিনে এসবের বিরুদ্ধেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরিকল্পিত নিকাশিনালা শহরের জলযন্ত্রণা বাড়িয়ে দিয়েছে। শহরবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে রেহাই দিতে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। যদিও এদিন পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি ‘আদালতে বিচারাধীন’ বলে এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘একাধিক দুর্নীতি বনগাঁ শহরের প্রাকৃতিক পরিবেশকে নষ্ট করেছে। আগামীতে সবকিছুর ব্যবস্থা হবে।’ 
বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার বলেন,  ‘পুর-পরিষেবা স্বাভাবিক আছে। দু’- একজন বাদ দিলে বাকি কাউন্সিলাররা অফিসে আসছেন। বাড়িতে থেকেই নাগরিক পরিষেবা দিচ্ছেন তাঁরা।’ পাশাপাশি, এদিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নয়নে রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। সেখানে মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে আসা কোনো রোগীকে রেফার করা যাবে না। আমি বৈঠকে বলেছি, পরিকাঠামো বাড়ানোর জন্য কোনো পরিকল্পনা থাকলে আমাকে জানান।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ