নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জোর দেওয়া হবে রিং বাঁধ নির্মাণে। সুন্দরবনের নদীবেষ্টিত গ্রামে বাঁধ রক্ষায় জমি কিনে রিং বাঁধ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেচদপ্তরকে। মঙ্গলবার ডায়মন্ডহারবারে সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানান সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। তাঁর বক্তব্য, সাগর, পাথরপ্রতিমা, গোসাবার মতো জায়গায় অনেক বাঁধ নির্মাণের জন্য ল্যান্ড ব্যাংক তৈরি করতে হবে। তার জন্য জমি কেনা দরকার। তাই সেচদপ্তরকে আমরা বলেছি, জমি কিনে যেখানে যেখানে রিং বাঁধ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে সেই কাজ করতে হবে। এই নিয়ে টাকাও বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এখন বর্ষায় সেচ সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজ বেশি চলছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী।
সুন্দরবনের ১৯টি ব্লকে নদী ভাঙন যাতে না হয়, সেজন্য সেচদপ্তরের কর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে মনে হবে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে, সেখানে দ্রুত মেরামতি করার কথা বলা হয়েছে। পাশপাশি গঙ্গাসাগর সমুদ্রতটকে আগের হালে ফেরাতে আরো তিন বছর লাগবে বলেও দীপঙ্করবাবু দাবি করেছেন। এদিকে জানা গিয়েছে, এই দুর্যোগে সাগর সমুদ্র সৈকতে আরো বড় ভাঙন ধরেছে। কপিলমুনির মন্দিরের আরো কিছুটা কাছাকাছি এসে গিয়েছে সমুদ্র। অস্থায়ী যে কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, সবই সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝাঁপটায় ভেঙে চৌচির। কংক্রিটের স্তূপ ছড়িয়ে পড়ে আছে সমুদ্র সৈকতে। এই নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য, একদিনে গঙ্গাসাগরের হাল ফেরানো যাবে না। আগামী মেলার জন্য হাতে পাঁচ মাস আছে। তার মধ্যে যতটা সম্ভব করা যায়, সেটা সরকার করবে।