


সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: জগদ্ধাত্রী পুজোকে ঘিরে এখন মাতোয়ারা হুগলির চন্দননগর। তবে শুধু চন্দননগর নয়, এই পুজোকে ঘিরে এখন উৎসবের চেহারা হাওড়ার বাউড়িয়াতেও। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক পুজো হয়। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা, এমনকী অভিনব আলোকসজ্জার কারণে লোকমুখে বাউড়িয়া এখন মিনি চন্দননগর। ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে পূর্ব দিকে বাউড়িয়া স্টেশন পর্যন্ত যাওয়া রাস্তার দু’পাশে বুড়িখালি, সন্তোষপুর, বাসুদেবপুর, ঘোষালচক সহ বিভিন্ন এলাকায় একের পরে এক মণ্ডপ দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
গত কয়েক বছরের মতো এবারও থিম আর সাবেকিয়ানার মেলবন্ধনে জমজমাট বাউড়িয়া। কোথাও গাছ বাঁচানোর বার্তা, আবার কোথাও নারী শক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা। কোথাও আবার বাংলার হস্তশিল্প সামগ্রী দিয়ে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। আবার কোথাও সমুদ্রের তলদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। যেমন সন্তোষপুর যুব শক্তি। এই পুজো কমিটির এবারের ভাবনা মা। মণ্ডপে নারী শক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নারী শক্তি না থাকলে পৃথিবী যে এত সুন্দর হতো না, সেটাও বোঝানো হয়েছে।
সন্তোষপুর যুবক সমিতির এবারের ভাবনা ‘সবুজ বাঁচালে বাঁচবে সমাজ’। গোটা মণ্ডপটি বিভিন্ন গাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি একজন মা যেরকম শিশুকে আগলে রাখেন, সেইরকম একটি গাছও তার চারাকে কীভাবে আগলে রেখেছে, সেটা তুলে ধরা হয়েছে। বাসুদেবপুর নবোদয় সংঘ এবার তাদের মণ্ডপে সমুদ্রের তলদেশকে তুলে ধরেছে। মণ্ডপে তিমি মাছ থেকে বিভিন্ন জলজ প্রাণী রাখা হয়েছে। বাসুদেবপুর মাতৃ সংঘ হাতপাখা, কুলো, ধামা, যামিনী রায়ের ছবি দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছে। এছাড়াও বুড়িখালি প্রাপ্তি সংঘ, বুড়িখালি মুক্তি সংঘ, বাউড়িয়া স্টেশন শান্তি সমন্বয় কমিটি, বুড়িখালি বিবর্তন, ঘোষালচক বিবেকানন্দ স্মৃতি সংঘ, বুড়িখালি (বাদামতলা) নেতাজি আদর্শ ব্যায়ামাগারের প্রতিমাও দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে।