নয়াদিল্লি: করাচির সেনাঘাঁটিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। শনিবারের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাতজনের। তারমধ্যে ৩ জন পাক রেঞ্জার্স। এই ঘটনায় নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ভারতের ঘাড়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করে পাক সরকার। অভিযোগ উড়িয়ে পালটা ইসলামাবাদকে কড়া জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের কটাক্ষ, আগে নিজেদের দিকে দেখুক ইসলামাবাদ।
পাক সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় সিন্ধ রেঞ্জার্সের ভিট্টাই উইংয়ের ক্যাম্পের মূল গেটে বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি ঢুকিয়ে হামলা চালানো হয়। এরপর জঙ্গিরা ভিতরে ঢুকে হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়ে। যার ফলে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর দীর্ঘক্ষণ চলে গুলির লড়াই। হামলা মোকাবিলায় যোগ দেয় পাকিস্তানের বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট এবং অ্যান্টি-টেরর ফোর্স। প্রায় দেড় ঘণ্টার অভিযানে কয়েকজন জঙ্গির মৃত্যু হয়। জীবিত এক জঙ্গিকে ধরা পড়ে। এই হামলার দায় ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে জামাত-উল-আহরার নামে এক জঙ্গি সংগঠন। যা টিটিপির একটি ভেঙে যাওয়া অংশ বলে দাবি। যদিও পাকিস্তান এব্যাপারে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। তাদের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে পত্রপাঠ খারিজ করেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘করাচির ঘটনার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ভিত্তিহীন অভিযোগ আমরা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি।’ তাঁর কটাক্ষ, পাকিস্তানের উচিত নিজের অপকর্মের দিকে নজর দেওয়া। তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সেইসঙ্গে রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসাবে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহারের প্রবণতা ছাড়তে হবে পাকিস্তানকে।