নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুধেও মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিকে অস্তিত্ব। সিংহভাগ বাঙালি নেতৃত্বাধীন বিজ্ঞানীদলের এই গবেষণাপত্র প্রকাশের পরে শোরগোল পড়েছে। এলসিভিয়ারের মতো বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থার জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালিসিস পত্রিকায় গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে পেপারটি। গবেষকদলের অন্যতম কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তথা রাজ্যের স্কুল সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, প্যাকেটজাত এবং স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা গোরুর দুধে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে, প্রতি লিটারে গড়ে ১১.১১টি প্লাস্টিক কণা মিলেছে। পলিইলিথিন এবং পলিপ্রোপিন জাতীয় প্লাস্টিকই মিলেছে সেগুলিতে। এ ধরনের প্লাস্টিক দুধের প্যাকেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাই প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল, প্যাকেটগুলিই এই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উৎস। তবে, স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত কাঁচা দুধেও এর অস্তিত্ব মেলায় বোঝাই যাচ্ছে এর উৎস অন্যত্র। উৎপাদন, সংগ্রহ, পরিবহণ এবং সংরক্ষণের বিভিন্ন ধাপেও দুধ এই মাইক্রোপ্লাস্টিকের সংস্পর্শে আসতে পারে।



