Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহেশতলার তৃণমূল কাউন্সিলারকে খুনের সুপারি, ধৃত মূল মাথা সহ ২

মহেশতলার তৃণমূল কাউন্সিলারকে খুনের সুপারি, ধৃত মূল মাথা সহ ২
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার জনপ্রিয় কাউন্সিলার বলে পরিচিত গোপাল সাহাকে খুনের সুপারি দেওয়ার ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। অভিযোগ, প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার সুপারি দিয়েছিল ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মনোজ বসু ওরফে পাপ্পু। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় এক ঘরোয়া বৈঠকে ষড়যন্ত্রের কথা নিজেই ফাঁস করে দিয়েছিল মনোজ। তা পাঁচ কান হয়ে পুলিস পর্যন্ত যায়। তার আগেই অবশ্য একথা জেনে যান ওই কাউন্সিলার। এরপর মনোজের বাড়ির সামনে গিয়ে চড়াও হয় কাউন্সিলারের লোকজন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মহেশতলা থানাও সক্রিয় হয়। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিস। মামলার কথা শুনেই গা ঢাকা দেয় মনোজ। এরমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয় মনোজের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় ঘোষকে। তাকে জেরা করে এবং মনোজের মোবাইল টাওয়ারের লোকেশন ট্র্যাক করে জানা যায়, সে হাওড়ার বাগনানে রয়েছে। সেখানেই তার পিসির বাড়ি। সেখানে হানা দিয়ে মনোজকে পাকড়াও করে পুলিস। কেন কাউন্সিলার গোপাল সাহাকে খুনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, কাকে সুপারি দেওয়া হয়েছিল, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মনোজকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস জানতে পেরেছে, এক সময় তৃণমূলের হয়ে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ন্ত্রণ করত ‘মাতব্বর’ মনোজ। গোপাল সাহা কাউন্সিলার হওয়ার পর সেই ক্ষমতা তার চলে যায়। এর মধ্যে গোপালবাবুর জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বেড়ে ওঠায় আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে মনোজ। তাই ‘পথের কাঁটা’ গোপালকে সরাতেই সুপারি দিয়েছিল অভিযুক্ত। জেরায় তা স্বীকার করেছে সে।
Advertisement
পুলিস জানতে পেরেছে, মহেশতলা পুরসভার এক সিআইসি সদস্যের প্রশ্রয়েই ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ছড়ি ঘোরাত মনোজ। গোপাল সাহা কাউন্সিলার হওয়ার পর তাঁর কাছে মনোজের নামে বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ে। তিনি সে সব বিশ্লেষণ করে দলের সমস্ত জায়গা থেকে সরিয়ে দেন অভিযুক্তকে। সেই সিআইসি সদস্য পীযূষ দাসের কথায়, আমার সঙ্গে মনোজের গত তিন বছর ধরে কোনও যোগাযোগ নেই।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ