Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মহিশুরায় বাড়িতে অস্ত্র কারখানার তদন্তে বড় চক্রের খোঁজ পুলিসের

মহিশুরায় বাড়িতে অস্ত্র কারখানার তদন্তে বড় চক্রের খোঁজ পুলিসের
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপের মহিশুরায় বাড়িতে দেশি আগ্নেয়াস্ত্রের কারখানার তদন্তে নেমে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। বুধবার রাতে নবদ্বীপ থানার পুলিস পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী থেকে এক অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত মাসানুন ওরফে মুসনুন মল্লিকের বাড়ি পূর্বস্থলীর মাজিদার কুঠিরপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মহিশুরায় ধৃত সানজুর শেখকে বাড়িতে দেশি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিতে সাহায্য ও তা বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করত মাসানুন। বৃহস্পতিবার ধৃতকে নবদ্বীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর ছয়দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
গত শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নবদ্বীপের মহিশুরার মাঝেরচড়ায় সানজুর শেখের বাড়িতে পুলিস অভিযান চালায়। সেখান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম পাওয়া গিয়েছিল। সানজুর তখন গা-ঢাকা দিলেও শনিবারই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ওইদিনই সন্ধ্যায় নবদ্বীপ থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করে সানজুরের গ্রেপ্তারির কথা জানান কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ। সানজুরকে ছয়দিনের জন্য হেফাজতে নিয়ে পুলিস জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। জেরায় পুলিস পূর্বস্থলীর মাসানুন ওরফে মুসনুন মল্লিকের খোঁজ পায়। এরপর বুধবার রাতে পূর্বস্থলী থানার সাজিয়ারা মোড় থেকে মাসানুনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। সানজুর বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসা করলেও এলাকার লোকজন জানত, সে দিনমজুরের কাজ করে। তবে এর আগেও একাধিক অভিযোগে সানজুর ধরা পড়েছিল।
পুলিসি তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত মাসানুন মল্লিকের সঙ্গে মহিশুরার সানজুরের বহুদিনের যোগাযোগ আছে। মাসানুন মহিশুরায় দেশি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করত। ওই আগ্নেয়াস্ত্র বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহও করত। কয়েকমাস আগেও সে মহিশুরায় সানজুরের বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গিয়েছিল। মাসানুনকে হেফাজতে নিয়ে এই অস্ত্র কারবারে আর কারা জড়িত, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম কোথা থেকে আনা হতো, কোথায় সেই অস্ত্র বিক্রি হতো-সেবিষয়ে পুলিস খোঁজ চালাবে। পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, মহিশুরার মাঝেরচড়ায় বাড়িতে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানা চালানোর পেছনে কোনও বড় চক্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ