Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশকে চিঠি মেসির ম্যানেজমেন্ট টিমের, নিশানায় অরূপ

মেসির নিরাপত্তা নিয়ে বিধাননগর পুলিশের কাছে চিঠি পাঠাল তাঁর ম্যানেজমেন্ট। অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

বিশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশকে চিঠি মেসির ম্যানেজমেন্ট টিমের, নিশানায় অরূপ
  • ১৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু, শুরুটা যেন স্বপ্নের মতো। প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেলেন লিও মেসি। বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেও গত ১৩ ডিসেম্বরের তিক্ত স্মৃতিকে ভোলেননি মেসির ম্যানেজার। ভারতে ‘গোট-টুর’-এর প্রথম দফায় সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা নিয়ে বিধাননগর পুলিশকে চিঠি দিল মেসির ম্যানেজমেন্ট টিম। বুধবার 

Advertisement

সকালে বিধাননগর পুলিশের সিপিকে মেল করে সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাতে নিশানা করা হয়েছে তৎকালীন রাজ্য সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। মাঠে ঢুকে পড়া, মেসিকে স্পর্শ করা, মাঠে তাঁর গা ঘেঁষে ছবি তোলাসহ একাধিক চুক্তিভঙ্গের জেরে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে মেসির টিম। 
এল এম টেনের ম্যানেজমেন্ট টিমের অভিযোগ, মাঠের মধ্যে কার্যত হেনস্তা করা হয় মেসিকে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে চিঠি। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে লেখা হয়েছে, প্রোটোকল অনুযায়ী লিওনেল মেসিকে সকলে স্পর্শ করতে পারেন না। তাঁকে দেখা যায়, কিন্তু ছোঁয়া যায় না। তবে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী গা ঘেঁষাঘেঁষি করে ছবি তুলেছিলেন। কাঁধে-কোমরে হাত দিয়ে ছবি তুলেছিলেন। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, প্রচুর মানুষ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মাঠে ঢুকে গিয়েছিলেন। যার ফলে দ্রুত মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পুলিশি নিরাপত্তার গাফিলতিরও অভিযোগ করা হয়েছে। 
চিঠিতে বলা হয়েছে, স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতির সময় আগে থেকেই একটি নিয়ম ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভিতরে কোনো ভিআইপি বা বিশেষ অতিথি থাকতে পারবেন না। কেবল তিনজন ক্যামেরা অপারেটরের থাকার অনুমতি ছিল। কীভাবে নিরাপত্তা বিধিকে উড়িয়ে দিয়ে মাঠের মধ্যে প্রায় ৪০ জন ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা অপারেটরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন? তা জানতে চাওয়া হয়েছে চিঠিতে। এতে মেসির নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত পরিসর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই কারণেই পরিকল্পিত কিছু অনুষ্ঠান বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন তাঁরা।
মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত বলেন, ‘মেসির টুরের কনসালট্যান্ট ও অ্যাডভাইজার বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকে একটি ই-মেল করেছেন। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। যিনি চিঠিটি লিখেছেন, তিনি শুধু অ্যাডভাইজার নন, সেদিন মাঠেও উপস্থিত ছিলেন। আমাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তখনো বারবার বলা হয়েছিল এই বিষয়গুলি। কিন্তু পুলিশ নিজেদের এবং অরূপ বিশ্বাসকে বাঁচানোর জন্য সেগুলি গ্রাহ্যই করেনি। এর চেয়ে বড়ো প্রমাণ তো আর কিছু হতে পারে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ