নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ডেঙ্গু সহ পতঙ্গবাহিত রোগ রুখে দিতে শুখা মরশুম থেকে প্রস্ততি নিতে শুরু করেছে হুগলি জেলা প্রশাসন। জেলা সদর লাগোয়া চুঁচুড়া-মগরা ব্লককে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে সাফসাফাই ও জমাজলের সমস্যা মেটানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ নিয়ে প্রশাসনিক কর্তারা তৃণমূলস্তরে গিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। গোটা চুঁচুড়া-মগরা ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতে একটি করে পৃথক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয়স্তরের অর্থাৎ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতিস্তরের বৈঠক শেষ করে ফেলেছেন প্রশাসনের কর্তারা। আবর্জনা মজুত করা নিয়ে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি নজরদারির জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও ওই উদ্যোগে শামিল করা হয়েছে।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গোটা জেলাতেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে। বর্তমানে শুখা মরশুম চলছে। বর্ষার প্রাক্কালে জল জমে যাওয়ার পরিস্থিতি রুখে দিতে পারলেই ডেঙ্গু সহ পতঙ্গবাহিত রোগ রুখে দেওয়া যাবে। ডেঙ্গু মূলত শহুরে এলাকার পতঙ্গবাহিত রোগ। সে কারণেই জেলা সদরের চুঁচুড়া-মগরা ব্লকে বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, যে কোনও সমস্যার সমাধান করার থেকে সমস্যা রুখে দেওয়াটাই বেশি কার্যকরী পদক্ষেপ। পতঙ্গবাহিত রোগের ক্ষেত্রে সেটা আরও জরুরি এবং বিজ্ঞানসম্মত। সেই কারণেই শুখা মরশুম অর্থাৎ গ্রীষ্মকাল থেকে আমরা প্রস্ততি নিতে শুরু করেছি। আবর্জনা সাফাইয়ের কাজ উন্নত করা, জল জমার পরিস্থিতি রুখে দেওয়া এবং সার্বিক নজরদারি, এই তিন বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। শহর লাগোয়া ব্লক হওয়ায় চুঁচুড়া-মগরার দিকে বাড়তি নজর থাকবে। নজরদারি এবং পরিকল্পনার সুসংহত রূপায়ণে স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও আমরা ব্যবহার করব। ব্লক প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে মহিলাদের একটি বড় অংশকে আমরা পাশে রাখতে পারব। পরিচ্ছন্নতা এবং পতঙ্গবাহিত রোগ নিরাময়ের কাজের কর্মীদের নজরদারিতে যা বিশেষ কার্যকরী হবে।



