নয়াদিল্লি: তিন ‘ম’। মোদি-মহিলা-মধ্যবিত্ত। এই তিন ‘ম’-এর মন্ত্রেই দিল্লিতে বাজিমাত বিজেপির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, রাজধানীতে তিন ফ্যাক্টরের কৌশলেই কেজরিওয়াল মিথ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পদ্মপার্টি।
Advertisement
দিল্লিতে বিজেপি কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করে ভোটে যায়নি। প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর আস্থা রেখেছিল তারা। আর আপ সুপ্রিমোকে মোদির ‘শিশমহল’ কটাক্ষ বিজেপির পালে হাওয়া জুগিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি, যমুনা দূষণের মতো ইস্যু ছাপিয়ে ‘শিশমহল’ কটাক্ষ আপ শিবিরের মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের ভোট সংহত করার দিকে নজর দেয় গেরুয়া বাহিনী। সুকৌশলে কেজরিওয়ালের মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে নিজেদের ঝুলিতে আনার চেষ্টা শুরু করে তারা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে আতিশীকে বসিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি আপ সুপ্রিমো। দিল্লিতে মোট ভোটারের ৪৬ শতাংশের বেশি মহিলা। সংখ্যার হিসেবে প্রায় ৭১ লক্ষ। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মহিলা ভোটারদের প্রায় ৬০ শতাংশই আপের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল ৩৫ শতাংশ মহিলা ভোট। এবার কেজিওয়ালের সেই মহিলা ভোটব্যাঙ্কে পরিকল্পিতভাবে হানা দিয়েছে মোদি বাহিনী। আর তা সুফল দিয়েছে। বিজেপির পক্ষে ঢেলে ভোট দিয়েছেন দিল্লির নারী ব্রিগেড। এমনিতে প্রায় সব দলই মহিলাদের মন জয়ে দলীয় ইস্তাহারে একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কেজরিওয়াল শিবির ফের জিতে এলে মহিলাদের মাসে ২ হাজার ১০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ভোটের পর প্রকল্প শুরুর এই আশ্বাসে চিঁড়ে ভেজেনি বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। উল্টোদিকে আপকে ছাপিয়ে বিজেপি সরকার গড়লে মহিলাদের মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। শুধু তাই নয়, সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে ভ্রমণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও বিজেপির পক্ষে গিয়েছে।
মহিলাদের মতো মধ্যবিত্ত শ্রেণির মন জয়েও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয় বিজেপি। দিল্লিতে ভোটগ্রহণের ঠিক আগে সাধারণ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আয়কর ছাড়ের সীমা ৭ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে এক ধাক্কায় ১২ লক্ষ টাকা করে দেন। ভোটের মুখে এই ঘোষণা দিল্লির মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের
অষ্টম বেতন কমিশন গড়ার ঘোষণাও বিজেপির পক্ষে আর্শীবাদ হয়েছে।
মহিলাদের মতো মধ্যবিত্ত শ্রেণির মন জয়েও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয় বিজেপি। দিল্লিতে ভোটগ্রহণের ঠিক আগে সাধারণ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আয়কর ছাড়ের সীমা ৭ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে এক ধাক্কায় ১২ লক্ষ টাকা করে দেন। ভোটের মুখে এই ঘোষণা দিল্লির মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের
অষ্টম বেতন কমিশন গড়ার ঘোষণাও বিজেপির পক্ষে আর্শীবাদ হয়েছে।



