সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাড়ি থেকে ডেকে যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গোপালনগর থানার চৌবেড়িয়ায়। মৃতের নাম আমির হোসেন মণ্ডল ওরফে কটা (৩৮)। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতদের নাম প্রসেনজিৎ সরকার, সৌম্য অধিকারী ওরফে নোটু ও অনিমেষ বিশ্বাস। মঙ্গলবার তাদের বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক আট দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় রমরমিয়ে চলে বেআইনি মদ, গাঁজা, হেরোইনের কারবার। গাড়ি চালানোর পাশাপাশি বেআইনি মাদক কারবারে যুক্ত ছিল আমির। বড় মাথা ছিল সে। ধৃতরা আমিরের এজেন্ট হিসেবে কাজ করত। নদীয়ার এক মাদক চক্রের সঙ্গে যোগ ছিল এদের। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, বেআইনি কারবার সংক্রান্ত বচসার জেরে এই খুন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় প্রসেনজিৎ মেঠোপাড়ার বাসিন্দা আমিরকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। একটি চায়ের দোকানে যায় তারা। সেখানে দু’জনের বচসা হয়। অভিযোগ, তখনই ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করে আমিরকে খুন করা হয়। একটি কালভার্টের পাশে পড়ে ছিল আমির। স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
খুনের প্রতিবাদে রাতেই বেলতলা মোড় অবরোধ করে স্থানীয়রা। পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। মৃতের স্ত্রী সামিরন মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মৃতের কাকা আবুল হোসেন মণ্ডল বলেন, প্রসেনজিতের কাছে টাকা পেত আমির। টাকা দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে ওকে খুন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত প্রসেনজিৎ অতীতে বেআইনি মদ বিক্রি করত। ধৃত সৌম্যর চায়ের দোকান রয়েছে। অভিযোগ, সেই দোকানের আড়ালে বেআইনি মদ বিক্রি হতো। আমিরের এজেন্ট হিসেবে কাজ করত এরা। কারবারের দখল নিতেই আমিরকে খুন বলে মনে করছেন অনেকে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি মাদকের কারবার চললেও গোপালনগর থানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনগাঁ পুলিস জেলার এক পুলিস আধিকারিক জানান, মাদক কারবারের বিষয়টি সামনে এসেছে। তদন্ত করে দেখছি।
খুনের প্রতিবাদে রাতেই বেলতলা মোড় অবরোধ করে স্থানীয়রা। পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। মৃতের স্ত্রী সামিরন মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মৃতের কাকা আবুল হোসেন মণ্ডল বলেন, প্রসেনজিতের কাছে টাকা পেত আমির। টাকা দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে ওকে খুন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত প্রসেনজিৎ অতীতে বেআইনি মদ বিক্রি করত। ধৃত সৌম্যর চায়ের দোকান রয়েছে। অভিযোগ, সেই দোকানের আড়ালে বেআইনি মদ বিক্রি হতো। আমিরের এজেন্ট হিসেবে কাজ করত এরা। কারবারের দখল নিতেই আমিরকে খুন বলে মনে করছেন অনেকে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি মাদকের কারবার চললেও গোপালনগর থানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনগাঁ পুলিস জেলার এক পুলিস আধিকারিক জানান, মাদক কারবারের বিষয়টি সামনে এসেছে। তদন্ত করে দেখছি।



