নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনে জলপাইগুড়িতে হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দিল সাতজন। এর মধ্যে দুই ছাত্রী রাজগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা দিয়েছে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সিক ওয়ার্ডে পরীক্ষা দিয়েছে এক ছাত্রী। এছাড়া ওদলাবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল, মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল ও ধূমপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে একজন করে এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে।
Advertisement
জলপাইগুড়ি জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বালিকা গোলে বলেন, এদিন হাসপাতাল থেকে মোট সাতজন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। গোটা জেলাতেই নির্বিঘ্নে এদিনের পরীক্ষা মিটেছে।
রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলের সহ শিক্ষক ধর্মদেব রায় বলেন, বীণা রায় ও জয়া রায় নামে দুই ছাত্রী রাজগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিন সেখান থেকেই দু’জন পরীক্ষা দিয়েছে। বীণা রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলের ছাত্রী। তার সিট পড়েছে ফাটাপুকুর সারদামণি হাইস্কুলে। জয়া রাজগঞ্জ বন্দর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী। তার সিট পড়েছে রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলে। দু’জনেই ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত। এর মধ্যে বীণা প্রথম দিন থেকেই হাসপাতালের বেডে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। জয়া প্রথম পরীক্ষা দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এদিন সে হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দেয়।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির কুমুদিনী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী কৃষ্ণা রায় এদিন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সিক ওয়ার্ডে পরীক্ষা দেয়। তার মাধ্যমিকের সিট পড়েছে মেহেরুন্নেসা হাইস্কুলে। প্রথম দিন পরীক্ষা দেওয়ার পর বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। শুরু হয় পেটে ব্যথা। রাতে তাকে জলপাইগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। এদিন সেখানেই তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলের সহ শিক্ষক ধর্মদেব রায় বলেন, বীণা রায় ও জয়া রায় নামে দুই ছাত্রী রাজগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিন সেখান থেকেই দু’জন পরীক্ষা দিয়েছে। বীণা রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলের ছাত্রী। তার সিট পড়েছে ফাটাপুকুর সারদামণি হাইস্কুলে। জয়া রাজগঞ্জ বন্দর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী। তার সিট পড়েছে রাজগঞ্জ এম এন হাইস্কুলে। দু’জনেই ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত। এর মধ্যে বীণা প্রথম দিন থেকেই হাসপাতালের বেডে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। জয়া প্রথম পরীক্ষা দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এদিন সে হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দেয়।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির কুমুদিনী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী কৃষ্ণা রায় এদিন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সিক ওয়ার্ডে পরীক্ষা দেয়। তার মাধ্যমিকের সিট পড়েছে মেহেরুন্নেসা হাইস্কুলে। প্রথম দিন পরীক্ষা দেওয়ার পর বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। শুরু হয় পেটে ব্যথা। রাতে তাকে জলপাইগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। এদিন সেখানেই তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।



