নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: অশোকনগরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে দু’দিন। তারপরেও তিন অভিযুক্তের মধ্যে কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আমাদের মেয়ের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না?
Advertisement
জানা গিয়েছে, গুমা ২ পঞ্চায়েত এলাকায় মামাবাড়িতে আত্মঘাতী হয় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সোনালি খাতুন। তাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করত পড়শি যুবক জসিম দফাদার। চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জসিম তার পথ আটকে কটূক্তি করে বলে অভিযোগ পরিবারের। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্কাতর্কিও হয়েছিল বলে দাবি তাদের। বাড়িতে ফেরার পরেও জসিম ফোন করে উত্যক্ত করেছিল। এর জেরে অপমানে বাড়িতেই আত্মঘাতী হয় সোনালি।
পরিবারের লোকজন জসিম দফাদার ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অশোকনগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেন। মৃত ছাত্রীর মাসি বলেন, সোনালি বলত, আমি লেখাপড়া করে প্রতিষ্টিত হতে চাই। কিন্তু জসিম বিরক্ত করছে। সে আমাকে লেখাপড়া করতে দিতে চায় না। তাই অপমান, আতঙ্কে সোনালি আত্মঘাতী হয়েছে। এনিয়ে গুমা ২ পঞ্চায়েতের প্রধান জেসমিন গাজি বলেন, মর্মান্তিক ঘটনা। দোষীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। যদিও পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের ধরতে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু হয়েছে। দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
পরিবারের লোকজন জসিম দফাদার ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অশোকনগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেন। মৃত ছাত্রীর মাসি বলেন, সোনালি বলত, আমি লেখাপড়া করে প্রতিষ্টিত হতে চাই। কিন্তু জসিম বিরক্ত করছে। সে আমাকে লেখাপড়া করতে দিতে চায় না। তাই অপমান, আতঙ্কে সোনালি আত্মঘাতী হয়েছে। এনিয়ে গুমা ২ পঞ্চায়েতের প্রধান জেসমিন গাজি বলেন, মর্মান্তিক ঘটনা। দোষীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। যদিও পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের ধরতে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু হয়েছে। দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।



