Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শ্রাবণী মেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে সমস্যা, আলোচনার আশ্বাস পুরপ্রধানের

শ্রাবণী মেলায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী তারকেশ্বরে আসেন। প্রবল ভিড় হয়। সে কারণে মোবাইল সংযোগ সঠিকভাবে মেলে না। ফলে সমস্যায় পড়েন পুণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

শ্রাবণী মেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে  সমস্যা, আলোচনার আশ্বাস পুরপ্রধানের
  • ৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা তারকেশ্বর: শ্রাবণী মেলায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী তারকেশ্বরে আসেন। প্রবল ভিড় হয়। সে কারণে মোবাইল সংযোগ সঠিকভাবে মেলে না। ফলে সমস্যায় পড়েন পুণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। আগামী প্রশাসনিক বৈঠকে এই সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন পুরপ্রধান। জানা গিয়েছে, এ বছর চূড়ান্ত বৈঠক হবে আট জুলাই। উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী।

Advertisement

প্রতিবছর তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলায় রবি ও সোমবার লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়। ভিড় সামলাতে নাজেহাল থাকে প্রশাসন। অনেকের অভিযোগ, শেওড়াফুলি থেকে ৩৫ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে আসার সময় অনেক পুণ্যার্থী দলছুট হয়ে পড়েন। তখন দলের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মোবাইল। কিন্তু অত্যধিক ভিড়ে সংযোগ করতে সমস্যা হয়। মোবাইল সংস্থাগুলির সর্বাধিক গ্রাহক পরিষেবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যায়। শুধু পুণ্যার্থীরা নন পরিষেবা দেওয়ার জন্য পুরসভা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরাও মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন না। ফি বছরই এই সমস্যা তৈরি হয়। শ্রাবণী মেলা সুষ্ঠুভাবে করতে একাধিক পদক্ষেপ নেয় রাজ্য সরকার। তবে মোবাইলে সংযোগ পাওয়া নিয়ে সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা হয় না। ফলে সমস্যার সমাধানও হয় না। এয়ারটেল মোবাইল কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় জানান, প্রতিবছর এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। একবছর চৈত্র মাসে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গাড়িতে অতিরিক্ত টাওয়ার বসানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তবে অত্যধিক ভিড়ের কারণে টাওয়ারের গাড়ি রাখার জায়গারও অভাব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমাদের কিছু জানানো হয়নি। প্রশাসন বলার পর কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। 
তারকেশ্বরের পুরপ্রধান উত্তম কুণ্ডু জানান, মোবাইল পরিষেবা নিয়ে আগামী বৈঠকে আলোচনা হবে। সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে ব্যবস্থা। এছাড়া শ্রাবণী মেলার জন্য বিদ্যুৎ, অগ্নিনির্বাপণ, স্বাস্থ্যদপ্তর এবং পুলিস সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক হয়েছে। মেলার জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১৫০ কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। শ্রাবণ মাসে শনি, রবি ও সোম ২৪ ঘণ্টা জল সরবরাহ করা হবে। ৩০টি অতিরিক্ত জলের কল লাগানো হচ্ছে। থাকবে বায়ো টয়লেট। পুরসভায় হবে একটি কন্ট্রোল রুম। কল্পতরু, আশুতোষ হিমঘর ও ভীমপুর রোডে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পুণ্যার্থীদের জরুরি পরিষেবা দেওয়ার জন্য এলাকার চারটি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। একটি নার্সিংহোম ছাড়া বাকি তিনটি বৈঠকে আসেনি। পুরসভা আইনি পদক্ষেপ নেবে সেই নার্সিংহোমগুলির বিরুদ্ধে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ