সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বারুইপুর: পুজো আসতে হাতে গোনা কয়েক দিন। চলছে জোরদার প্রস্তুতি। মথুরাপুর ও রায়দিঘিতেও এবার নজরকাড়া থিম নিয়ে তৈরি হচ্ছে পুজো কমিটিগুলি। মথুরাপুর মামা ভাগ্নে সমিতি ফি বছরেই থিমে নজর কাড়ে। এবারও ব্যতিক্রম নয়। তাঁদের পুজো এবার ৫২ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা চন্দন দে বলেন, এবারে সুরকার সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ ঘিরে আমাদের থিম। সলিল চৌধুরীর বিভিন্ন গানকে আমরা মডেলের মাধ্যমে মণ্ডপে তুলে ধরছি। পাশাপাশি, মণ্ডপে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রাকেও ফুটিয়ে তোলা হবে। মথুরাপুরের জলঘাটা দুর্গাপুজো কমিটির পুজো এবার ১৬ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা গৌতম হালদার বলেন, এবারে আমাদের ভাবনা কুমোর পাড়ার গোরুর গাড়ি। পাশাপাশি গ্রাম বাংলার বাড়িতে তুলসী মঞ্চ, ধানের গোলা থাকে। তাও মণ্ডপে তুলে ধরা হবে। মণ্ডপের প্রবেশপথে
থাকবে ঈগল পাখি।
মথুরাপুর ঘোষের চক দুর্গাপুজো কমিটির পুজো ২৮ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা পলাশ প্রামাণিক বলেন, এবারে আমরা ১০৮টি দুর্গার বিভিন্ন রূপ তুলে ধরবো। মা বগলামুখি, মা ছিন্নমস্তা সহ বিভিন্ন রূপ দর্শনার্থীরা দেখতে পাবেন। মথুরাপুরের পাটুনিঘাটা দত্তের চক দুর্গাপুজো কমিটির পুজো এার ১৭ বছরে। কমিটির এক কর্তা তিমির হালদার বলেন, হনুমানের মা ছিলেন অঞ্জনি। সেই অঞ্জনি পর্বতকে এবার আমরা মণ্ডপে তুলে ধরব। মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর বিবেকানন্দ সেবা সঙ্ঘের পুজো এবার ৮০ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা পার্বতীচরণ পুরকাইত বলেন, কাল্পনিক রাজবাড়ির আদলে আমাদের মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। মায়ের সাবেকি মূর্তিই থাকবে আমাদের মণ্ডপে।
অন্যদিকে, রায়দিঘি গোল পার্কে রায়দিঘি ব্যবসায়ী সমিতির পুজো এবার ৫৮ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা তপন হালদার বলেন, এবারে আমাদের নবদুর্গা হচ্ছে। পাশাপাশি থাকবে আলোকসজ্জায় সমাজ সচেতনতার বার্তা। রায়দিঘির কলেজ মোড়ে পুরনো হাট পুজো কমিটির পুজো ১৬ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা সুবল সাহা বলেন, এবারে আমাদের থিম আর্তনাদ। নারীদের আর্তনাদকে তুলে ধরা হচ্ছে বিভিন্ন মডেলের মাধ্যমে। রায়দিঘি কুমড়োপাড়া দুর্গাপুজো কমিটির পুজো ১৫ বছরে পড়েছে। পুজো কমিটির কর্তা শম্ভু মণ্ডল বলেন, এবার আমাদের আকর্ষণ পোড়া মাটির দেবী মূর্তি। নিজস্ব চিত্র