মুম্বই: ওডিআই বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে জায়গা আগেই পাকা হয়েছিল। রবিবার ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচ ভারতের কাছে তাই ছিল নিছক নিয়মরক্ষার। বৃষ্টিতে তা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেলেও চেনা দাপটেই দেখা গেল টিম ইন্ডিয়াকে। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ চারের ম্যাচে নিঃসন্দেহে যা আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৯ উইকেটে বাংলাদেশ তোলে ১১৯। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে টার্গেট দাঁড়ায় ১২৬। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধের সময়ে ৮.৪ ওভারে ভারতের স্কোর ছিল ৫৭-০। খেলা আর শুরু হয়নি। তখন ক্রিজে ছিলেন স্মৃতি মান্ধানা (৩৪) ও আমনজ্যোৎ কাউর (১৫)। ফিল্ডিংয়ের সময় ডান গোড়ালি মচকে ফেলায় ওপেন করেননি ছন্দে থাকা প্রতীকা রাওয়াল। সেটাই চিন্তায় রাখছে দলকে। মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি।
স্পিনাররা আবার জোগাচ্ছেন ভরসা। এদিন যেমন জ্বলে উঠলেন স্নেহ রানার পরিবর্তে নামা রাধা যাদব (৩-৩০), শ্রীচরণি (২-২৩) ও দীপ্তি শর্মা (১-২৪)। ত্রয়ীর মিলিত সংগ্রহ ছয় উইকেট। দুই পেসার রেনুকা এবং আমনজ্যোত্ একটি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক ৩৬ করেন তিনে নামা শারমিন আখতার (৩৬)। ক্যাপ্টেন নিগার সুলতানা (৯) ব্যর্থ। ২৬ রানের মধ্যে শেষ ৫টি উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেমি-ফাইনালের প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো সতর্ক করে দিয়ে ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত বলেন, ‘আমাদের সবার নজর ওই ম্যাচে। লিগের ম্যাচগুলোয় আমরা ভালো খেলেছি। দলের সকলে অবদান রেখেছে। সেই ছন্দে খেলাই লক্ষ্য। আমরা চাপ না নিয়ে উপভোগ করতে চাইছি। আর রাধা এদিন যেভাবে বল করল, তাতে বিকল্প বাড়ল। আমনজ্যোতও অবদান রেখেছে। আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিলাম, তা পূর্ণ হয়েছে। আশা করছি, সেমি-ফাইনালে প্রতীকাকে পাওয়া যাবে।’